গোপন তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করার দাবি ট্রাম্পের, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
গোপন সামরিক তথ্য সংবাদমাধ্যমে ফাঁসকারীদের গুলি করার পক্ষে মত দিয়েছেন ট্রাম্প, যা যুক্তরাষ্ট্রে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্ক সৃষ্টি করেছে।
গোপন তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করার দাবি ট্রাম্পের, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ
৭ মিনিটে পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গোপন সরকারি ও সামরিক তথ্য সংবাদমাধ্যমের কাছে ফাঁসকারী ব্যক্তিদের গুলি করে হত্যার পক্ষে মন্তব্য করে নতুন রাজনৈতিক বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। তাঁর এই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে দেশটিতে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, সরকারি তথ্যের গোপনীয়তা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং অপরাধের শাস্তি নির্ধারণের আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত ১৪ অক্টোবর অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যের বুলহেড সিটিতে এক নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিজ দলের প্রার্থীদের পক্ষে ভোট চাইতে আয়োজিত ওই সমাবেশে ট্রাম্পের বক্তব্যের একটি বড় অংশজুড়ে ছিল ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান এবং সেই অভিযানসংক্রান্ত তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশের বিষয়টি।
সমাবেশে উপস্থিত সমর্থকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, তাঁর মতে, তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করা উচিত। অতীতের কথা উল্লেখ করে তিনি দাবি করেন, কোনো দেশকে কখন আক্রমণ করা হবে, সেই সময়সূচি ফাঁস করলে আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গুলি করা হতো। তাঁর বক্তব্যে শুধু কারাদণ্ডের কথাই উঠে আসেনি, বরং একই সঙ্গে দীর্ঘ মেয়াদে কারাবন্দি রাখা এবং গুলি করে হত্যার মতো চরম শাস্তির কথাও বলা হয়েছে।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এসেছে, যখন তাঁর প্রশাসন ইরানকে ঘিরে সামরিক তৎপরতা, জাতীয় নিরাপত্তা এবং সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন নিয়ে বিতর্কের মধ্যে রয়েছে। বিশেষ করে গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর প্রকাশিত গোয়েন্দা মূল্যায়ন নিয়ে তাঁর অসন্তোষ নতুন করে সামনে এসেছে।
ট্রাম্পের বক্তব্যের কেন্দ্রে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নাম ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’। ২০২৫ সালের জুনে ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ১২ দিনব্যাপী যুদ্ধ চলাকালে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়। অভিযানে বি-২ বোমারু বিমানসহ উন্নত সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করা হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের দাবি ছিল, ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা বাধাগ্রস্ত করতেই এই হামলা চালানো হয়।
হামলার পর মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থার একটি প্রাথমিক মূল্যায়নের তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর ক্ষয়ক্ষতি ট্রাম্প প্রশাসনের প্রাথমিক দাবির তুলনায় কম হতে পারে। এ ছাড়া ইরান হামলার আগে কিছু সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম অন্যত্র সরিয়ে নিতে পেরেছিল বলেও প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। তবে প্রাথমিক মূল্যায়ন থেকে পাওয়া তথ্যকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচনা করা ঠিক নয়। কোনো সামরিক অভিযানের প্রকৃত ফলাফল নির্ধারণে স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি, পারমাণবিক উপাদানের অবস্থান এবং পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট স্থাপনার কার্যক্ষমতা—সবকিছু বিবেচনা করতে হয়।
ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর থেকেই তথ্য ফাঁসের বিষয়টি নিয়ে ট্রাম্প অসন্তোষ প্রকাশ করে আসছেন। তাঁর অভিযোগ, গোপন সামরিক তথ্য প্রকাশের ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের পরিকল্পনা প্রতিপক্ষের কাছে পৌঁছে যেতে পারে এবং এতে মার্কিন সেনাসদস্যদের জীবন বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। অ্যারিজোনার সমাবেশে ট্রাম্প বিশেষভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস ও সিএনএনের নাম উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, ইরানে হামলার জন্য সামরিক বিমান কখন উড্ডয়ন করবে এবং কখন নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাবে, সেই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল। তিনি বলেন, এই তথ্য ফাঁসের কারণে অভিযান দুই দিন পিছিয়ে দিতে হয়েছিল।
তবে ট্রাম্পের এই দাবির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক এখনো স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি। সমাবেশে তিনি যে ঘটনা বর্ণনা করেছেন, তার সব বিবরণ যাচাই করে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর মতো প্রকাশ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে সংবাদমাধ্যমে তথ্য প্রকাশের কারণেই সামরিক অভিযান নির্ধারিত সময় থেকে দুই দিন পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে তাঁর অভিযোগ তুলে ধরা হলেও অভিযোগের সঙ্গে স্বাধীনভাবে প্রমাণিত তথ্যের পার্থক্য বজায় রাখা জরুরি।
বক্তব্যের একপর্যায়ে ট্রাম্প তথ্য ফাঁসকারীকে অবমাননাকর ভাষায় আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, এ ধরনের ব্যক্তিদের কারাগারে পাঠানো উচিত এবং তাঁদের গুলি করা উচিত। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, যারা গোপন সামরিক পরিকল্পনা প্রকাশ করে, তারা দেশের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।
এরপর সাংবাদিকদের দিকেও অভিযোগের তির ছোড়েন তিনি। ট্রাম্পের বক্তব্য অনুযায়ী, সংবাদমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অনেক সময় সূত্রের বরাত দিয়ে এমন তথ্য প্রকাশ করেন, যার যথার্থতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তিনি সাংবাদিকদেরও তথ্য ফাঁসকারীদের কাছাকাছি পর্যায়ে দায়ী করার চেষ্টা করেন। তবে কোনো সংবাদ প্রতিবেদন ভুল, বিভ্রান্তিকর বা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য ক্ষতিকর কি না, তা নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট প্রমাণ ও প্রযোজ্য আইন বিবেচনা করা প্রয়োজন। কোনো সাংবাদিক গোপন তথ্য প্রকাশ করেছেন বলেই তাঁর বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত হয়ে যায় না।
যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি গোপন তথ্য অনুমতি ছাড়া প্রকাশের জন্য আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় প্রতিরক্ষা-সংক্রান্ত সংরক্ষিত তথ্য বেআইনিভাবে প্রকাশ, হস্তান্তর কিংবা বিদেশি শক্তির কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী গুরুতর অপরাধের অভিযোগ আনা যেতে পারে। তবে তথ্য ফাঁসের সব ঘটনা একই ধরনের নয়। কোন তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি কীভাবে সেটি পেয়েছেন, তাঁর উদ্দেশ্য কী ছিল এবং সংশ্লিষ্ট আইনের কোন বিধান প্রযোজ্য—এসব বিষয় তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারণ করতে হয়।
এখানে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ট্রাম্পের বক্তব্য রাজনৈতিক মতামত হলেও সেটি নিজে থেকে কোনো নতুন আইন বা শাস্তির বিধান তৈরি করে না। কাউকে গুলি করে হত্যার শাস্তি দেওয়ার বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়া, প্রযোজ্য অপরাধের সংজ্ঞা এবং আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সম্পর্কিত। গোপন তথ্য ফাঁসের জন্য সাধারণভাবে সবাইকে গুলি করার শাস্তি দেওয়া হয়—এমন কোনো সাধারণ আইনি বিধান যুক্তরাষ্ট্রে নেই। অপরাধের ধরন অনুযায়ী শাস্তির পার্থক্য রয়েছে। ফলে ট্রাম্পের বক্তব্যকে বিদ্যমান আইনের বিবরণ হিসেবে নয়, বরং কঠোর শাস্তির পক্ষে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান হিসেবে দেখা উচিত।
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রশ্নটিও এ বিতর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের প্রথম সংশোধনী সংবাদ প্রকাশ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সুরক্ষিত করে। তবে এই সুরক্ষার অর্থ এই নয় যে সংবাদমাধ্যম বা সরকারি কর্মকর্তারা সব ধরনের সংরক্ষিত তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে আইনের ঊর্ধ্বে থাকবেন। একইভাবে জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি দেখিয়ে সরকারের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ হয়ে যায় না। রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষা এবং জনগণের জানার অধিকার নিশ্চিত করার মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
সরকারি সূত্র থেকে তথ্য ফাঁস এবং সাংবাদিকদের তা প্রকাশের বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কের জন্ম দিয়ে আসছে। সরকার সাধারণত যুক্তি দেয়, সামরিক অভিযান বা গোয়েন্দা কার্যক্রমের সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশিত হলে শত্রুপক্ষ নিজেদের পরিকল্পনা পরিবর্তন করতে পারে, নিরাপত্তাকর্মীদের পরিচয় শনাক্ত করতে পারে কিংবা চলমান অভিযানের কার্যকারিতা নষ্ট করতে পারে। অন্যদিকে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে কাজ করা সংগঠনগুলোর বক্তব্য হলো, সরকারি কর্মকাণ্ডের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে অনেক সময় অভ্যন্তরীণ তথ্য প্রকাশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে সরকার কোনো বিষয়ে ভুল তথ্য দিচ্ছে কি না, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার হচ্ছে কি না কিংবা জনগণের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা প্রয়োজন হতে পারে। ট্রাম্পের সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের বিরোধ অবশ্য নতুন নয়। তাঁর প্রথম মেয়াদেও প্রশাসনের অভ্যন্তরীণ তথ্য ফাঁস, সাংবাদিকদের প্রতিবেদন এবং সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে হোয়াইট হাউসের সম্পর্ক নিয়ে একাধিক বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। ২০২০ সালে বর্ণবাদবিরোধী বিক্ষোভের সময় তিনি হোয়াইট হাউসের ভূগর্ভস্থ নিরাপদ কক্ষে আশ্রয় নিয়েছিলেন—এমন খবর প্রকাশের পর তথ্য ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে বলে পরবর্তী সময়ে সাবেক হোয়াইট হাউস কর্মকর্তা এলিসা ফারাহ গ্রিফিন জানিয়েছিলেন। তবে এ ধরনের অতীত ঘটনার বিবরণ এবং বর্তমান বক্তব্যের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের সময় প্রত্যেকটি দাবির উৎস ও প্রমাণ আলাদাভাবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
ট্রাম্পের দ্বিতীয় প্রশাসনেও গোপন তথ্য প্রকাশের উৎস শনাক্ত করতে তদন্ত ও নজরদারির পদক্ষেপ নিয়ে বিতর্ক হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রশাসনের ভেতরে তথ্য ফাঁস শনাক্ত করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কর্মী ও সামরিক কর্মকর্তাদের মিথ্যা শনাক্তকরণ পরীক্ষার বিষয়টি সামনে এসেছে। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সাংবাদিকদের কাছ থেকে তথ্যের উৎস সম্পর্কে জানতে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে। তবে এসব পদক্ষেপের প্রতিটির পরিধি, আইনি ভিত্তি এবং আদালতের অবস্থান আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি। এদিকে নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্পের বক্তব্যের রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে। আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই প্রধান দলের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এ ধরনের নির্বাচনে কংগ্রেসের আসনসংখ্যা প্রেসিডেন্টের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, প্রশাসনের ওপর নজরদারি এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। অ্যারিজোনার সমাবেশে ট্রাম্প রিপাবলিকান প্রার্থীদের পক্ষে সমর্থন চাওয়ার পাশাপাশি জাতীয় নিরাপত্তা ও সংবাদমাধ্যম নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন। তবে নির্বাচনী প্রচারণায় দেওয়া বক্তব্যকে বাস্তব সরকারি সিদ্ধান্তের সঙ্গে এক করে দেখা উচিত নয়। ট্রাম্প তথ্য ফাঁসকারীদের গুলি করার পক্ষে মত দিয়েছেন—এটি তাঁর প্রকাশ্য বক্তব্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত। কিন্তু এর অর্থ এই নয় যে তাঁর প্রশাসন তথ্য ফাঁসের সব ঘটনায় মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের কোনো নতুন নীতি ঘোষণা করেছে। এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কি না, তা প্রতিষ্ঠা করতে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা, সংশ্লিষ্ট আইনি নথি কিংবা প্রশাসনের নির্ভরযোগ্য বক্তব্য প্রয়োজন।