ঢাকা-১৭ আসনে ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রস্তুতি

আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ঢাকা-১৭ আসনে শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক প্রস্তুতি। তরুণদের নেতৃত্বে তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে একটি সময়োপযোগী ও জনগণকেন্দ্রিক নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের রূপরেখা তুলে ধরা হয়েছে।

PostImage

ঢাকা-১৭ আসনে ব্যতিক্রমী নির্বাচনী প্রস্তুতি


তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে আধুনিক ক্যাম্পেইনের চেক কর্মসূচি সম্পন্ন

ঢাকা-১৭ আসনকে ঘিরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র নির্বাচনী প্রস্তুতি নতুন এক গতি ও মাত্রা পেয়েছে। দলের চেয়ারম্যান ও আগামীর সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সংসদীয় আসন হিসেবে পরিচিত এই আসনে একটি ব্যতিক্রমী, সময়োপযোগী ও ইতিবাচক নির্বাচনী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রস্তুতি সভা ও চেক কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে ঢাকা-১৭ আসনে একটি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও জনগণকেন্দ্রিক নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের রূপরেখা চূড়ান্ত করা হয়, যেখানে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তরুণ নেতৃত্ব, ভোটারদের সরাসরি সম্পৃক্ততা এবং স্বচ্ছ রাজনৈতিক বার্তার ওপর।

বনানীতে অবস্থিত ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এই প্রস্তুতি সভায় শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, সংস্কৃতিক কর্মী ও বিভিন্ন পেশাজীবী শ্রেণির প্রতিনিধিদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। সভায় জানানো হয়, প্রস্তাবিত ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে ভোটারদের প্রত্যাশা, সমস্যা ও প্রস্তাব মাঠপর্যায়ে যাচাই করে একটি কাঠামোবদ্ধ কর্মপরিকল্পনায় রূপ দেওয়া হবে।

সভায় বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, রাষ্ট্র সংস্কার এবং একটি জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার যে রাজনৈতিক দর্শন রয়েছে, ঢাকা-১৭ আসনের এই ক্যাম্পেইন তারই প্রতিফলন। আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এই আসনকে একটি মডেল নির্বাচনী এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তরুণদের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রস্তুতি সভায় সভাপতিত্ব করেন ‘তারুণ্যের শক্তি’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি শওকত আজিজ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর সালাম। তিনি বলেন,

“ঢাকা-১৭ শুধু একটি আসন নয়, এটি আগামীর রাজনীতির দিকনির্দেশনা। তরুণদের শক্তি, প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে এখানে একটি ইতিবাচক ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী ক্যাম্পেইন বাস্তবায়ন করা হবে।”

আলোচনায় তরুণ প্রতিনিধিরা জানান, প্রচলিত পোস্টারনির্ভর প্রচারণার বাইরে গিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, ভিডিও কনটেন্ট, তথ্যভিত্তিক বার্তা, ডোর-টু-ডোর যোগাযোগ এবং মতামত সংগ্রহ কার্যক্রমের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করা হবে।

সভা শেষে আয়োজকরা জানান, চেক কর্মসূচির মাধ্যমে ক্যাম্পেইনের সাংগঠনিক সক্ষমতা, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতি মূল্যায়ন করা হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

এডভোকেট আবীর মিনহাজের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই প্রস্তুতি সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আব্দুল্লাহ আল জুবায়ের বাবু, সাইদুল বাশার শোয়েব, তানভীর আহমেদ স্বপ্নীল, ব্যারিস্টার আকিব আকবর খান চৌধুরী, এডভোকেট কামরুজ্জামান, রেজাউল হোসেন অনিক, আইনুন নিশাত, নাফিজ আবরার এরামসহ অন্যান্য রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিত্বরা।

সভায় অংশগ্রহণকারীরা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক রাজনীতির একটি নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ঢাকা-১৭ আসনের এই প্রস্তুতি ভবিষ্যতের জাতীয় রাজনীতিতেও প্রভাব ফেলবে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর