শান্তির পথে ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রা: ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডে স্বাক্ষর
অনুষ্ঠান শেষে তিন নেতা চুক্তির তাৎক্ষণিক বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন, যা অনেক বিশ্লেষকের মতে মধ্য আফ্রিকার ভূ-রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
শান্তির পথে ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রা: ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডে স্বাক্ষর
ওয়াশিংটন, ডি.সি. — আফ্রিকার গ্রেট লেকস অঞ্চলে দীর্ঘদিনের সংঘাত ও অস্থিতিশীলতা অবসানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের উদ্যোগে ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত এক শীর্ষ বৈঠকে রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট পল ক্যাগামে এবং কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের (ডিআরসি) প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স ত্শিসেকেদি ঐতিহাসিক ওয়াশিংটন অ্যাকর্ড–এ স্বাক্ষর করেছেন।
নব প্রতিষ্ঠিত ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প ইনস্টিটিউট ফর পিস-এ আয়োজিত এই স্বাক্ষর समारोहকে কূটনীতিকরা সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শান্তি উদ্যোগ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
অনুষ্ঠানে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দুই আফ্রিকান নেতার সাহস ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা করে বলেন, “আজকের এই চুক্তি শুধু আফ্রিকার জন্য নয়, বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।”
রুয়ান্ডা ও ডিআরসি–র রাষ্ট্রপ্রধানরা বলেন, এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে নতুন মাত্রায় সহযোগিতা, সীমান্ত নিরাপত্তা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুলে যাচ্ছে।
ওয়াশিংটন অ্যাকর্ডে সীমান্তে যৌথ নিরাপত্তা কার্যক্রম, সামরিক উত্তেজনা কমানোর উদ্যোগ, প্রাকৃতিক সম্পদের স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ ব্যবহার, এবং আঞ্চলিক শান্তি-বৃদ্ধিমূলক কাঠামো গঠনের পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা এই উদ্যোগকে আফ্রিকান কূটনীতির জন্য একটি মাইলফলক হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যা দীর্ঘমেয়াদে অঞ্চলটির স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।