জামায়াতকে আমরা ১৯৭১ সালেই দেখেছি, নতুন করে দেখার কিছু নেই
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের জন্য যে ৩১ দফার কর্মপরিকল্পনা দিয়েছেন, আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাচ্ছি।”
জামায়াতকে আমরা ১৯৭১ সালেই দেখেছি, নতুন করে দেখার কিছু নেই
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেছেন, জামায়াত ইসলামী বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল ১৯৭১ সালে। যারা সেই সময় মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, মা–বোনদের ইজ্জত লুণ্ঠন করেছিল, বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করেছিল এবং মুক্তিযোদ্ধাদের পাক হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিল—তাদের আমরা তখনই চিনেছি। এখন নতুন করে তাদের দেখার কিছু নেই।
শনিবার রাজধানীর এক হোটেলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ভার্চুয়াল সাংবাদিক ফোরাম (BNVJF)–এর আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, “আজ জামায়াত বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চালাচ্ছে—আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি সবাইকে দেখেছেন, এবার আমাদের দেখেন। কিন্তু আমরা তাদের আগেই দেখেছি। যে জামায়াত জান্নাতের টিকিট বিক্রি করছে, তাদের কথায় বিশ্বাস করলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। ইসলাম এমন প্রতারণা অনুমোদন করে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমরা বাংলাদেশি, আমাদের ৯৫ শতাংশ মানুষ মুসলমান। আমরা ধর্মভীরু জাতি এবং ধর্মীয় স্বাধীনতাকে সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়ে রাজনীতি করি। কিন্তু আজ একটি সংগঠন প্রতিনিয়ত আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে—AI প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা ছবি ও ভিডিও বানিয়ে মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।”
বিএনপির নীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “বিএনপি জনগণের দল। আমরা জনগণের মতামত নিয়েই প্রতিটি কর্মসূচি বাস্তবায়ন করি। এই দেশের মানুষের উন্নয়ন, কল্যাণ ও স্বাধীনতা রক্ষাই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য।”
তিনি আরও যোগ করেন, “ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের জন্য যে ৩১ দফার কর্মপরিকল্পনা দিয়েছেন, আমরা সেই নির্দেশনা অনুযায়ী জনগণের সঙ্গে একযোগে কাজ করে যাচ্ছি।”
শেষে তিনি বলেন, “জামায়াতের মতো প্রতারণামূলক সংগঠনকে জনগণ আর গ্রহণ করবে না। যারা একবার দেশবিরোধী কাজ করেছে, তাদের মুখোশ খুলে গেছে অনেক আগেই।”