যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ভাইয়ের ফুটবল সাফল্য
যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুলিভান ভাইদের ফুটবল সাফল্য, বাংলাদেশের হয়ে সাফ শিরোপা জয়ে রাখলেন গুরুত্বপূর্ণ অবদান, গর্বিত প্রবাসীরা এবার।
যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ভাইয়ের ফুটবল সাফল্য
যুক্তরাষ্ট্রে জন্ম নেওয়া বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত যমজ ভাই রোনান ও ডেকলান সুলিভান বাংলাদেশের ফুটবলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের হয়ে খেলেছেন তারা।
দুই ভাইই যুক্তরাষ্ট্রের ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন একাডেমির সঙ্গে যুক্ত। বাংলাদেশের হয়ে খেলার সুযোগ পাওয়ার পর তারা অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় দলে জায়গা করে নেন।
টুর্নামেন্টে রোনান শুরুতেই নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দেন। পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেক ম্যাচেই তিনি দুটি গোল করে বাংলাদেশকে ২-০ ব্যবধানে জয় এনে দেন।
এরপর ভারতের বিপক্ষেও রোনান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারে বাংলাদেশের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ শট নিয়ে জয় নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও তিনি আলোচনায় আসেন।
ডেকলানও বাংলাদেশের চূড়ান্ত অনূর্ধ্ব-২০ দলে ছিলেন। যদিও ফাইনালে তিনি শুরু থেকে মাঠে নামেননি, পুরো টুর্নামেন্টে দলের সঙ্গে থেকে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ে অংশ নেন।
সুলিভান ভাইদের বাংলাদেশ দলে আসার ঘটনাটি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, বিদেশে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণদের জাতীয় দলের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনা নতুন করে সামনে এসেছে।
রোনান ও ডেকলানের সাফল্য শুধু একটি টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের গল্প নয়; এটি বাংলাদেশের ফুটবলে প্রবাসী প্রতিভা খুঁজে বের করার নতুন সম্ভাবনারও ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বাংলাদেশের ফুটবল কর্তৃপক্ষ এখন বিদেশে বেড়ে ওঠা বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত খেলোয়াড়দের জাতীয় দলের বিভিন্ন পর্যায়ে যুক্ত করার দিকে আরও নজর দিচ্ছে।
সুলিভান ভাইদের সাফল্য সেই উদ্যোগকে আরও উৎসাহিত করতে পারে।
রোনান ও ডেকলানের গল্প ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করেছে। বাংলাদেশের হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও সাফল্য অর্জন করাই এখন তাদের পরবর্তী লক্ষ্য।