না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন বাউল সাধক কানাইদাস

বাংলার বাউল সংগীত জগতের জনপ্রিয় শিল্পী কানাইদাস বাউল আর নেই। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজ বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে বাউল অঙ্গনসহ সাংস্কৃতিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতি হচ্ছিল

PostImage

না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন বাউল সাধক কানাইদাস


বাংলার বাউল সংগীত জগতের জনপ্রিয় শিল্পী কানাইদাস বাউল আর নেই। তিনি বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত নিজ বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে বাউল অঙ্গনসহ সাংস্কৃতিক মহলে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে তিনি অসুস্থ ছিলেন এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার শারীরিক অবস্থা ক্রমেই অবনতি হচ্ছিল।

কানাইদাস বাউল ছিলেন লোকসংগীতের একজন নিবেদিতপ্রাণ সাধক। গ্রামবাংলার মাটি ও মানুষের জীবনের গল্প তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর গানে। বাউল দর্শনের আধ্যাত্মিকতা, মানবপ্রেম ও সহজ-সরল জীবনবোধ তার সংগীতে বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে তিনি গান পরিবেশন করতেন এবং বহু শ্রোতার হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন।

তার সংগীত জীবনে তিনি অসংখ্য জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন, যা লোকসংগীতপ্রেমীদের কাছে এখনও সমানভাবে সমাদৃত। বাউল গানের ধারাকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দিতে তার অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা এবং টেলিভিশন অনুষ্ঠানে নিয়মিত অংশ নিয়ে তিনি বাউল গানকে আরও জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন।

তার মৃত্যুতে দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজনেরা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। অনেকেই মনে করছেন, তার চলে যাওয়া বাউল সংগীতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ভক্ত ও শুভানুধ্যায়ীরা তাকে স্মরণ করে শোক জানাচ্ছেন এবং তার গানের স্মৃতিচারণ করছেন।

পরিবার, সহশিল্পী ও ভক্তদের অশ্রুসিক্ত বিদায়ের মধ্য দিয়ে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন এই প্রখ্যাত বাউল শিল্পী। তবে তার গান ও দর্শন বেঁচে থাকবে মানুষের হৃদয়ে, যা ভবিষ্যত প্রজন্মকে বাউল সংস্কৃতির প্রতি অনুপ্রাণিত করে যাবে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর