যুদ্ধের মাঝেই বাংলাদেশে প্রথম এলপিজি জাহাজ পৌঁছাল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও হরমুজ প্রণালীকেন্দ্রিক উত্তেজনার মধ্যেই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এলপিজি (LPG) গ্যাসবাহী একটি জাহাজ পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর এটিই সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে দেশে পৌঁছানো প্রথম এলপিজি চালান, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহে নতুন স্বস্তি এনেছে।
যুদ্ধের মাঝেই বাংলাদেশে প্রথম এলপিজি জাহাজ পৌঁছাল
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও হরমুজ প্রণালীকেন্দ্রিক উত্তেজনার মধ্যেই বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো এলপিজি (LPG) গ্যাসবাহী একটি জাহাজ পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, যুদ্ধ শুরুর পর এটিই সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকে দেশে পৌঁছানো প্রথম এলপিজি চালান, যা দেশের জ্বালানি সরবরাহে নতুন স্বস্তি এনেছে।
জানা গেছে, ওমান থেকে ছেড়ে আসা ‘MT BWEK Bornholm’ নামের একটি ছোট আকারের এলপিজি ট্যাংকার প্রায় ৩,৮০০ টন গ্যাস নিয়ে চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে নোঙর করে। এই চালানটি আমদানি করেছে বিএম এনার্জি (বিডি) লিমিটেড, যা স্মার্ট গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
শিপিং এজেন্টদের তথ্যমতে, জাহাজটি মার্চের মাঝামাঝি সময়ে ওমানের দুকম বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে। পথে শ্রীলঙ্কায় আংশিক গ্যাস খালাস করার পর অবশিষ্ট অংশ বাংলাদেশে এনে সরবরাহ করে। নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও সরবরাহ চেইন সচল রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।
খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের পর হরমুজ প্রণালী কার্যত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে, ফলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে জ্বালানি পরিবহন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। এর আগে মার্চের প্রথমদিকে বাংলাদেশে যে এলপিজি চালানগুলো এসেছে, সেগুলো মালয়েশিয়া, ভারত বা সিঙ্গাপুরের মতো বিকল্প উৎস থেকে সরবরাহ করা হয়েছিল।
স্মার্ট গ্রুপের এক কর্মকর্তা জানান, বাংলাদেশের এলপিজির বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্যনির্ভর হওয়ায় যুদ্ধের মধ্যেও সরবরাহ বজায় রাখতে সরবরাহকারীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখা হয়েছে। বিশেষ অনুরোধের ভিত্তিতে এই চালানটি সংঘাতপূর্ণ অঞ্চল থেকেই পাঠানো সম্ভব হয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই চালান পৌঁছানো বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি ইতিবাচক ইঙ্গিত হলেও, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে সরবরাহে আবারও অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে।