রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ, দ্রুত সমাধানের দাবি পাম্প কতৃপক্ষের

দেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে পরিবহন, কৃষি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দ্রুত বেড়ে চলেছে।

PostImage

রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ, দ্রুত সমাধানের দাবি পাম্প কতৃপক্ষের


দেশের উত্তরাঞ্চলের রংপুর বিভাগের ৮ জেলায় অনির্দিষ্টকালের জন্য জ্বালানি তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে পরিবহন, কৃষি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থায় মারাত্মক সংকট তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দ্রুত বেড়ে চলেছে।

জানা গেছে, পার্বতীপুর ডিপো থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ থাকার কারণে এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে। শ্রমিকদের বিরুদ্ধে দেওয়া শাস্তির প্রতিবাদে সংশ্লিষ্ট পরিবহন ও ডিপো-সংক্রান্ত শ্রমিকরা এই কর্মসূচি পালন করছেন। ফলে নীলফামারীসহ রংপুর বিভাগের আটটি জেলায় জ্বালানি সরবরাহ পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়ে। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেট্রোলপাম্পগুলোতে তেল না থাকায় অধিকাংশ পাম্প বন্ধ হয়ে গেছে। যেসব পাম্প খোলা রয়েছে, সেখানে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। অনেক চালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি পাচ্ছেন না। এর ফলে বাস, ট্রাক ও ছোট যানবাহন চলাচল কমে গেছে এবং গণপরিবহন সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে।

এদিকে, কৃষিখাতে এর প্রভাব ইতোমধ্যেই পড়তে শুরু করেছে। সেচযন্ত্র চালাতে ডিজেল না পাওয়ায় বোরো মৌসুমের চাষাবাদ হুমকির মুখে পড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। একই সঙ্গে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল ব্যাহত হওয়ায় বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের সরবরাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সাম্প্রতিক সময়ে সারাদেশেই জ্বালানি সরবরাহে চাপ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন স্থানে ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবরাহ না হওয়া এবং পরিবহন ব্যবস্থার সমস্যার কারণে সংকট আরও প্রকট হয়েছে। 

বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতিও জানিয়েছে, পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকলে দেশের যেকোনো সময় পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যেতে পারে—এমন আশঙ্কাও রয়েছে। 

এ পরিস্থিতিতে দ্রুত সমাধানের দাবি জানিয়েছেন ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, শ্রমিকদের সঙ্গে সমঝোতা এবং ডিপো কার্যক্রম দ্রুত স্বাভাবিক না হলে এই সংকট আরও বিস্তৃত হতে পারে।

৮ জেলায় জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হওয়া শুধু স্থানীয় নয়, জাতীয় অর্থনীতির জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে সারাদেশেই এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর