ভারত থেকে ২য় মেয়াদে ডিজেল আমদানী সরকারের, জ্বালানি সংকট নিরশনে ভারত - বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ পাইপলাইন

নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া আবারও সক্রিয় হয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ-ভারত ‘ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’ দিয়ে ইতোমধ্যে সীমিত পরিমাণ ডিজেল দেশে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

PostImage

ভারত থেকে ২য় মেয়াদে ডিজেল আমদানী সরকারের, জ্বালানি সংকট নিরশনে ভারত - বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ পাইপলাইন


নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানির প্রক্রিয়া আবারও সক্রিয় হয়েছে। জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ-ভারত ‘ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইন’ দিয়ে ইতোমধ্যে সীমিত পরিমাণ ডিজেল দেশে এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রথম ধাপে প্রায় ৫,০০০ টন ডিজেল বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পরবর্তীতে আরও একটি চালান যুক্ত হয়ে মোট সরবরাহ দাঁড়ায় প্রায় ১০,০০০ টন। 

এটি মূলত চলমান দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির অংশ, যার আওতায় ভারত বছরে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে সরবরাহ করার কথা রয়েছে। 

জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় বাংলাদেশ বিকল্প উৎস হিসেবে ভারতের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল সরবরাহ দ্রুত ও তুলনামূলক সাশ্রয়ী হওয়ায় সরকার এ পদ্ধতিকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

এদিকে, ঈদকে সামনে রেখে জ্বালানির চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এপ্রিলের মধ্যে অতিরিক্ত ৪৫,০০০ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পাইপলাইনটি পূর্ণ সক্ষমতায় ব্যবহার করা গেলে বছরে সর্বোচ্চ প্রায় ১০ লাখ টন পর্যন্ত জ্বালানি পরিবহন সম্ভব, যা ভবিষ্যতে দেশের উত্তরাঞ্চলের জ্বালানি সরবরাহে বড় ভূমিকা রাখবে। 

সার্বিকভাবে দেখা যাচ্ছে, নতুন সরকারের আমলে এখন পর্যন্ত পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রায় ১০ হাজার টন ডিজেল দেশে এসেছে, যা সামগ্রিক চাহিদার তুলনায় কম হলেও জ্বালানি সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর