উৎপাদন খরচ বাড়লে বিদ্যুতের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের ঝুঁকি
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবিষ্যতে বিদ্যুতের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা। জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং ভর্তুকির চাপ বাড়ায় বিদ্যুৎ খাত ক্রমেই চাপে পড়ছে।
উৎপাদন খরচ বাড়লে বিদ্যুতের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের ঝুঁকি
দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ভবিষ্যতে বিদ্যুতের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট খাতের বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা। জ্বালানি আমদানির ব্যয় বৃদ্ধি, ডলার সংকট এবং ভর্তুকির চাপ বাড়ায় বিদ্যুৎ খাত ক্রমেই চাপে পড়ছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, ডিজেল ও এলএনজি নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদনের খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় উৎপাদন ব্যয়ও বেড়ে যাচ্ছে, যা সরকারের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ভর্তুকি বহন করা কঠিন হয়ে পড়ছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকার যদি ভর্তুকি কমাতে চায়, তাহলে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় বা ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণ করা ছাড়া বিকল্প খুব কম। এক জ্বালানি বিশ্লেষক বলেন, “উৎপাদন খরচ ও বিক্রয়মূল্যের মধ্যে বড় ধরনের ব্যবধান থাকলে সেটি দীর্ঘদিন ধরে টেকসই থাকে না।”
এদিকে শিল্পখাতের উদ্যোক্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়লে উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাবে, যা পণ্যের দামে প্রভাব ফেলবে এবং রপ্তানিতে প্রতিযোগিতা কমে যেতে পারে। অন্যদিকে সাধারণ ভোক্তাদের ওপরও এর প্রভাব পড়বে, বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলো বেশি চাপের মুখে পড়তে পারে।
তবে সরকার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, হঠাৎ করে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না। ধাপে ধাপে পরিস্থিতি বিবেচনা করে এবং জনগণের সক্ষমতার কথা মাথায় রেখেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘমেয়াদে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো এবং দক্ষতা বৃদ্ধি করা গেলে উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতে পারে। অন্যথায় বিদ্যুতের ট্যারিফ পুনর্নির্ধারণের চাপ ভবিষ্যতে আরও বাড়তে পারে।