যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, রাশিয়াসহ বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছায় উদযাপিত হল বাংলাদেশের ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এবং কূটনৈতিক নেতারা বাংলাদেশকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করে পাঠানো এসব বার্তায় উঠে এসেছে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রত্যাশা
যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, চীন, রাশিয়াসহ বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছায় উদযাপিত হল বাংলাদেশের ৫৬তম স্বাধীনতা দিবস
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, সরকারপ্রধান এবং কূটনৈতিক নেতারা বাংলাদেশকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে স্মরণ করে পাঠানো এসব বার্তায় উঠে এসেছে বন্ধুত্ব, সহযোগিতা এবং ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রত্যাশা
প্রধান বিশ্বনেতাদের বার্তা
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ঢাকা-ওয়াশিংটনের অংশীদারিত্ব আরও জোরদার হবে।
ভারতের রাষ্ট্রপতি Droupadi Murmu দুই দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক বন্ধনের কথা উল্লেখ করে আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
যুক্তরাজ্যের রাজা King Charles III তার বার্তায় কমনওয়েলথভিত্তিক সম্পর্ক, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।
রাশিয়ার পক্ষে ঢাকা নিযুক্ত রাশিয়া রাষ্ট্রদূত আলপকজান্দার খোজিন- বাংলাদেশে উন্নয়নমূলক অগ্রযাত্রার প্রশংসা করে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
চীনের প্রেসিডেন্ট Xi Jinping বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো বার্তায় দুই দেশের “ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী ও অংশীদারিত্বপূর্ণ সম্পর্ক” আরও জোরদারের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি বেল্ট অ্যান্ড রোড উদ্যোগসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর কথাও উল্লেখ করেন।
অন্যান্য দেশের শুভেচ্ছা
এছাড়া ফ্রান্স, থাইল্যান্ড , মালদ্বীপ, ভূটান,সংযুক্ত আরব আমিরাত, জাতিসংঘ মহাসচিবসহ বিভিন্ন দেশের সরকার ও কূটনৈতিক মিশন বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানায়। এসব বার্তায় দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, বাণিজ্য, জলবায়ু, উন্নয়ন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস হিসেবে পালিত হয়, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনের স্মারক। দিনটি জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনসহ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়।
বিশ্বনেতাদের শুভেচ্ছা বার্তায় স্পষ্ট হয়েছে—বাংলাদেশ শুধু একটি স্বাধীন রাষ্ট্রই নয়, বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। উন্নয়ন, শান্তি ও সহযোগিতার পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশাই উঠে এসেছে বিশ্বজুড়ে পাঠানো এসব বার্তায়।