খোকা–সালাম ধারাবাহিকতার নতুন অধ্যায়, সহযোগিতার আশ্বাস ইসরাক হোসেনের
রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সমন্বয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে কার্যকর নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন প্রতিমন্ত্রী ইসরাক হোসেন। নতুন প্রশাসক আব্দুস সালামকে ঘিরে নগর রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু নগর ভবন।
খোকা–সালাম ধারাবাহিকতার নতুন অধ্যায়, সহযোগিতার আশ্বাস ইসরাক হোসেনের
ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | নগর ভবন থেকে প্রতিবেদন
বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম–কে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইসরাক হোসেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ আব্দুস সালাম দক্ষতার সঙ্গে নগর প্রশাসনের দায়িত্ব পালন করবেন এবং ঢাকা দক্ষিণের ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ও গতিশীলতা আরও সুসংহত হবে—এটাই সবার প্রত্যাশা।
নগর ভবনে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রশাসককে অভিনন্দন জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সম্মুখসমরের একজন পরীক্ষিত বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই দায়িত্বে অধিষ্ঠিত করা জাতির জন্য গর্বের। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং জাতীয়তাবাদী মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম এ সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে। তিনি নতুন প্রশাসকের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সমন্বিতভাবে নগরবাসীর সেবায় কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
উল্লেখ্য, ইসরাক হোসেন অতীতে একই মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তিনি অবিভক্ত ঢাকা সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা–এর পুত্র। রাজনৈতিক অঙ্গনে আব্দুস সালাম ও সাদেক হোসেন খোকা দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তারা একসঙ্গে ঢাকা মহানগর বিএনপির নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং নগর রাজনীতিতে ‘খোকা–সালাম’ জুটি হিসেবে সুপরিচিতি পেয়েছিলেন।
সাদেক হোসেন খোকার মৃত্যুর পর আব্দুস সালাম তাঁর রাজনৈতিক উত্তরসূরি হিসেবে সংগঠন ও মাঠপর্যায়ে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। সেই ধারাবাহিকতায় প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর তাঁর পাশে থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ইসরাক হোসেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের কার্যক্রমে নতুন গতি আসবে। নগরবাসীর প্রত্যাশা—দলমত নির্বিশেষে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে নাগরিক সেবা, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সুশাসনে দৃশ্যমান অগ্রগতি নিশ্চিত হবে।