যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তে গবাদিপশু আমদানির বড় বন্দর পুনরায় চালু

মেক্সিকো থেকে গবাদিপশু আমদানির বড় বন্দর পুনরায় চালু করল যুক্তরাষ্ট্র, তবে শিগগির কমছে না গরুর মাংসের দাম।

যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তে গবাদিপশু আমদানির বড় বন্দর পুনরায় চালু

যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তে গবাদিপশু আমদানির বড় বন্দর পুনরায় চালু


যুক্তরাষ্ট্র মেক্সিকো থেকে গবাদিপশু আমদানির জন্য দেশটির সবচেয়ে ব্যস্ত সীমান্ত পরিদর্শন বন্দরগুলোর একটি নিউ মেক্সিকোর সান্তা তেরেসা পুনরায় চালু করেছে। এক বছরেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর ২৪ সেপ্টেম্বর বন্দরটি আবার চালু হয়। 

বন্দরটি বন্ধ রাখার প্রধান কারণ ছিল নিউ ওয়ার্ল্ড স্ক্রুওয়ার্ম নামের একটি পরজীবী পোকা। এই পোকা গবাদিপশুর শরীরে আক্রমণ করে গুরুতর ক্ষতি করতে পারে। রোগটি যুক্তরাষ্ট্রে ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে মেক্সিকো থেকে গবাদিপশু আমদানি সাময়িকভাবে বন্ধ করা হয়েছিল।

সান্তা তেরেসা যুক্তরাষ্ট্র–মেক্সিকো সীমান্তের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গবাদিপশু পরিদর্শন কেন্দ্রগুলোর একটি। গত পাঁচ বছরে মেক্সিকো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে আসা গবাদিপশুর প্রায় ৪৩ শতাংশ এই বন্দর দিয়ে প্রবেশ করেছে। অধিকাংশ পশু এরপর টেক্সাসের বিভিন্ন ফিডলটে পাঠানো হয়। 

বন্দরটি পুনরায় চালু হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের গবাদিপশুর সরবরাহ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেশটিতে বর্তমানে গবাদিপশুর সরবরাহ সংকুচিত থাকায় গরুর মাংসের দাম রেকর্ড উচ্চতায় রয়েছে। 

তবে এই সিদ্ধান্তের ফলে তাৎক্ষণিকভাবে গরুর মাংসের দাম কমার সম্ভাবনা কম বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। কারণ মেক্সিকো থেকে আমদানি করা অনেক গবাদিপশুকে যুক্তরাষ্ট্রে জবাইয়ের উপযোগী হতে আরও কয়েক মাস সময় লাগে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিজস্ব গবাদিপশুর মজুতও দীর্ঘমেয়াদি সংকোচনের মধ্যে রয়েছে। 

রোগের ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে আমদানি করা প্রতিটি গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের আওতাধীন এপিএইচআইএস মেক্সিকো থেকে গবাদিপশু আমদানির জন্য নির্দিষ্ট স্বাস্থ্যবিধি ও পরিদর্শন ব্যবস্থা চালু রেখেছে। 

এর আগে আগস্টে অ্যারিজোনার ডগলাস বন্দর দিয়ে সীমিত আকারে মেক্সিকোর গবাদিপশু আমদানি পুনরায় শুরু হয়েছিল। সান্তা তেরেসা পুনরায় চালু হওয়াকে সেই ধাপে ধাপে সীমান্ত বাণিজ্য স্বাভাবিক করার পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আমদানি বাড়লে দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের গবাদিপশুর সরবরাহে কিছুটা স্বস্তি আসতে পারে। তবে মাংসের বাজারে এর পূর্ণ প্রভাব পড়তে সময় লাগবে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর