দুদকে বিচার বিভাগের নেতৃত্ব: পুরোনো বলয় ভেঙে দুর্নীতি দমনে নতুন বার্তা?

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হলে প্রয়োজন এমন নেতৃত্ব, যিনি রাজনৈতিক, প্রশাসনিক কিংবা প্রভাবশালী কোনো মহলের চাপের ঊর্ধ্বে থেকে আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম। সেই বিবেচনায় দুদকের চেয়ারম্যান পদে সাবেক বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নিয়োগ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সাহসী পদক্ষেপ। দীর্ঘ বিচারিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি দুদককে আরও কার্যকর ও শক্তিশালী করতে পারবেন—এমন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

দুদকে বিচার বিভাগের নেতৃত্ব: পুরোনো বলয় ভেঙে দুর্নীতি দমনে নতুন বার্তা?

দুদকে বিচার বিভাগের নেতৃত্ব: পুরোনো বলয় ভেঙে দুর্নীতি দমনে নতুন বার্তা?


দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানের নিয়োগকে ঘিরে রাজনৈতিক ও আইন অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ এই নিয়োগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রশ্ন তুলছেন, আবার অন্যদিকে এর পক্ষে যুক্তি হলো—দুর্নীতি দমনের মতো সাংবিধানিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে দীর্ঘ বিচারিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে দায়িত্ব দেওয়া প্রশাসনিক প্রচলনের বাইরে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত।

১৭ আগস্ট সরকারের প্রজ্ঞাপনে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুদক চেয়ারম্যান এবং ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়। ১৯ আগস্ট তাঁরা দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

এটি কি সত্যিই নজিরবিহীন পরিবর্তন?

দুদকের নেতৃত্ব নিয়ে বিতর্কের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জায়গাটি হলো—একটি দুর্নীতি দমনকারী প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে কোন পেশাগত পটভূমির মানুষ সবচেয়ে কার্যকর হতে পারেন?

দুদকের কাজ কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ নয়। অভিযোগ অনুসন্ধান, তদন্ত, নথি-প্রমাণ মূল্যায়ন, ফৌজদারি মামলা, আইনগত প্রক্রিয়া এবং আদালতে অভিযোগের বিচারিক পরিণতির সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম সরাসরি যুক্ত।

অর্থাৎ একজন দুদক চেয়ারম্যানকে শুধু প্রশাসনিক দক্ষতার অধিকারী হলেই হবে না; তাঁকে একই সঙ্গে আইন, প্রমাণ, বিচারিক প্রক্রিয়া এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের আইনি পরিণতি সম্পর্কে গভীর ধারণা রাখতে হয়।

সেই জায়গা থেকে বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ স্তরে দায়িত্ব পালন করা একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিকে দুদকের নেতৃত্বে আনা একটি ভিন্ন ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক পছন্দ—এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই।

প্রশাসন ক্যাডারই কি দুদক পরিচালনার একমাত্র যোগ্য উৎস?

এখানেই বর্তমান বিতর্কের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

বাংলাদেশের প্রশাসন ক্যাডার রাষ্ট্রের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পেশাগত কাঠামো। মাঠ প্রশাসন থেকে সচিবালয় পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার বড় অংশে প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু রাষ্ট্রের কোনো একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে অতীতে একটি নির্দিষ্ট পেশাগত গোষ্ঠীর কর্মকর্তারা বেশি দায়িত্ব পালন করেছেন বলেই ভবিষ্যতেও একই পেশাগত গোষ্ঠীকে নিয়োগ দিতে হবে—এমন কোনো সাংবিধানিক বা আইনগত বাধ্যবাধকতা নেই।

অতীতের নিয়োগপ্রথা কোনো আইন নয়।

বরং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর করার প্রয়োজন হলে সরকার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা, সততা ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজন বিবেচনায় নতুন ধরনের নেতৃত্ব বেছে নিতে পারে।

দুদক আইনেও চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য হওয়াকে কোনো বাধ্যতামূলক যোগ্যতা হিসেবে নির্ধারণ করা হয়নি। বরং চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের জন্য আইন নির্দিষ্ট বাছাই প্রক্রিয়া নির্ধারণ করেছে। 

তাহলে বিচারপতি কেন?

এখানেই নিয়োগটির পক্ষে সবচেয়ে শক্তিশালী যুক্তিটি দাঁড় করানো যায়।

দুদকের তদন্ত শেষ পর্যন্ত আইন ও বিচারব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত। দুর্নীতির অভিযোগে কাউকে অভিযুক্ত করা, প্রমাণের গ্রহণযোগ্যতা নির্ধারণ, আইনের ব্যাখ্যা, তদন্তের বৈধতা এবং আদালতে মামলার অবস্থান—সবকিছুর সঙ্গে বিচারিক জ্ঞান সম্পর্কিত।

একজন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি দীর্ঘ বিচারিক জীবনে রাষ্ট্রের বিভিন্ন পর্যায়ের ক্ষমতাবান ব্যক্তি, সরকারি কর্মকর্তা, প্রতিষ্ঠান এবং নাগরিকের আইনি অধিকার ও দায়বদ্ধতা নিয়ে কাজ করেছেন।

সুতরাং তাঁকে দুদকের চেয়ারম্যান করার সিদ্ধান্তকে কেবল ‘প্রশাসন ক্যাডারের বাইরে থেকে একজনকে নিয়োগ’ হিসেবে দেখলে বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায় না।

বরং প্রশ্ন হতে পারে:

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাষ্ট্র কি এবার প্রশাসনিক অভিজ্ঞতার পাশাপাশি বিচারিক অভিজ্ঞতাকেও অগ্রাধিকার দিতে চাইছে?

যদি উত্তর হ্যাঁ হয়, তাহলে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তন।

দুদক কি কোনো ক্যাডার সার্ভিসের প্রতিষ্ঠান?

না।

দুদক কোনো ক্যাডার সার্ভিসের অধিদপ্তর নয়। এটি একটি স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের নিয়োগের জন্য পৃথক আইনি কাঠামো রয়েছে এবং বাছাই কমিটিতে বিচার বিভাগ, মহাহিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্ম কমিশন এবং মন্ত্রিপরিষদ পর্যায়ের প্রতিনিধিত্ব থাকে। 

২০২৬ সালের নিয়োগ প্রক্রিয়াতেও পাঁচ সদস্যের বাছাই কমিটি গঠন করা হয়েছিল, যার সভাপতি ছিলেন আপিল বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হক। 

অর্থাৎ দুদকের নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াতেই বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ভূমিকা রয়েছে।

তাহলে শেষ পর্যন্ত সেই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত ব্যক্তির বিচারিক পরিচয়কে কেন স্বয়ংক্রিয়ভাবে অযোগ্যতার কারণ হিসেবে দেখানো হবে?

‘আগে এমন হয়নি’—এ যুক্তি কি যথেষ্ট?

কোনো রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে আগে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি—এটি সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না, এমন যুক্তি হতে পারে না।

রাষ্ট্র পরিচালনার ইতিহাসে বহু প্রতিষ্ঠানেই সময়ের সঙ্গে নেতৃত্বের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। নতুন বাস্তবতা, নতুন চ্যালেঞ্জ এবং প্রতিষ্ঠানের কার্যকারিতা বাড়ানোর প্রয়োজন থেকেই এসব পরিবর্তন আসে।

তাই ‘এতদিন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা ছিলেন, এবার বিচারপতি কেন?’—এই প্রশ্নটি করা যেতে পারে।

কিন্তু প্রশ্নটির উত্তর হতে পারে আরও সরল:

কারণ সরকার মনে করেছে, এই মুহূর্তে দুদকের জন্য একজন বিচারিক অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নেতৃত্ব প্রয়োজন।

এ সিদ্ধান্ত ভালো না মন্দ—তার প্রকৃত মূল্যায়ন হবে আসাদুজ্জামান কমিশন কীভাবে কাজ করে তার ওপর; তিনি কোন ক্যাডার থেকে এসেছেন, সেটি দিয়ে নয়।

রাজনৈতিক প্রতিশোধের অভিযোগের প্রমাণ কোথায়?

নিয়োগের সমালোচনায় ইতোমধ্যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য, দলীয় স্বার্থ এবং বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিকে হয়রানির আশঙ্কার কথা বলা হচ্ছে। এসব অভিযোগ সংবাদে তুলে ধরা যেতে পারে, কিন্তু অভিযোগকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে উপস্থাপন করা সাংবাদিকতার দৃষ্টিতে ঝুঁকিপূর্ণ।

কারণ এখন পর্যন্ত প্রকাশ্য সরকারি নথি বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণে এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি যে বিচারপতি আসাদুজ্জামানকে নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলীয় স্বার্থ বাস্তবায়নের জন্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

বরং বাস্তবতা হলো, সরকার একটি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাছাই কমিটি গঠন করেছে এবং সেই প্রক্রিয়ার পর নতুন কমিশন নিয়োগ দিয়েছে। 

তাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের অভিযোগ থাকলে তার প্রমাণও দিতে হবে।

সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদ: বিতর্কটি এখানেই

তবে এই নিয়োগ নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্নটি উপেক্ষা করারও সুযোগ নেই।

সংবিধানের ৯৯(১) অনুচ্ছেদে অবসরপ্রাপ্ত সুপ্রিম কোর্টের বিচারকের জন্য নির্দিষ্ট কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেখানে বিচার বিভাগীয় বা আধা-বিচার বিভাগীয় পদ ছাড়া প্রজাতন্ত্রের লাভজনক পদে নিয়োগের বিষয়টি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। 

এ কারণে কিছু আইনজ্ঞের প্রশ্ন—দুদক চেয়ারম্যানের পদটি এই সাংবিধানিক নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়ে কি না।

এই প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বর্তমানে আইন অঙ্গনে বিতর্ক রয়েছে। এমনকি এ নিয়োগকে ঘিরে সংবিধানের ৯৯ অনুচ্ছেদ নিয়ে প্রশ্ন তোলার খবরও প্রকাশিত হয়েছে। 

তবে এটিকে সরাসরি ‘অসাংবিধানিক’ বলে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে সংশ্লিষ্ট সাংবিধানিক বিধান, দুদক আইন, নিয়োগের আইনি ভিত্তি এবং প্রয়োজন হলে আদালতের ব্যাখ্যা বিবেচনা করা জরুরি।

অর্থাৎ বিতর্ক আছে—কিন্তু বিতর্ক থাকা আর অসাংবিধানিকতা প্রমাণিত হওয়া এক বিষয় নয়।

প্রশাসন ক্যাডার বনাম বিচার বিভাগ—এভাবে দেখাও কি ঠিক?

আরেকটি বিষয়ও গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশাসন ক্যাডারের সব কর্মকর্তা দুর্নীতিগ্রস্ত—এমন কোনো প্রমাণভিত্তিক সিদ্ধান্ত দেওয়া যেমন সঠিক নয়, তেমনি বিচার বিভাগের সব ব্যক্তি দুর্নীতির ঊর্ধ্বে—এমন দাবিও করা যায় না।

দুর্নীতি ব্যক্তির অপরাধ; কোনো পেশা বা ক্যাডারের অপরাধ নয়।

তাই বিতর্কটি হওয়া উচিত কোন পেশার মানুষ ভালো—এ নিয়ে নয়; বরং কোন ব্যক্তির সততা, যোগ্যতা, স্বাধীনতা, অভিজ্ঞতা এবং জবাবদিহির নিশ্চয়তা বেশি—তা নিয়ে।

এই জায়গায় বিচারপতি আসাদুজ্জামানের নিয়োগকে একটি নতুন পরীক্ষার সূচনা হিসেবে দেখা যেতে পারে।

দুদকের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা এখন শুরু

নতুন চেয়ারম্যানের সামনে মূল চ্যালেঞ্জ হলো তাঁর কাজ দিয়ে প্রমাণ করা যে এই নিয়োগ কোনো রাজনৈতিক প্রতিশোধের হাতিয়ার নয়।

যদি দুদক একই মানদণ্ডে সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আমলা, জনপ্রতিনিধি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্ত করে, তাহলে নিয়োগের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে ওঠা প্রশ্ন অনেকটাই দুর্বল হয়ে যাবে।

আর যদি অভিযোগের ভিত্তি রাজনৈতিক পরিচয় হয়, প্রমাণ নয়, তাহলে যে পেশা থেকেই চেয়ারম্যান আসুন না কেন—দুদকের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

সুতরাং বিচারপতি আসাদুজ্জামানের নিয়োগের সবচেয়ে বড় মূল্যায়ন তাঁর পেশাগত পরিচয় দিয়ে নয়, তাঁর কমিশনের কাজ দিয়ে হওয়া উচিত।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে কোনো একটি প্রশাসনিক সংস্কৃতি প্রচলিত থাকলেই সেটি চিরস্থায়ী হতে পারে না। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে আরও কার্যকর করতে হলে প্রয়োজনে নতুন পথ বেছে নিতে হয়।

দুদকের চেয়ারম্যান পদে একজন অবসরপ্রাপ্ত আপিল বিভাগের বিচারপতিকে নিয়োগ সেই অর্থে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক পরীক্ষা।

এটি সফল হবে কি না, তা নির্ভর করবে একটাই বিষয়ের ওপর:

দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদক কতটা স্বাধীন, নিরপেক্ষ এবং শক্ত হাতে কাজ করতে পারে।

প্রশাসন ক্যাডার থেকে কেউ এলে তিনি দুর্নীতি দমন করতে পারবেন না—এমন কথা যেমন সত্য নয়, তেমনি বিচারপতি এলেই দুদক স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিরপেক্ষ হয়ে যাবে—এটিও সত্য নয়।

তবে ‘আগে এমন হয়নি, তাই এবারও হওয়া যাবে না’—এ যুক্তি কোনো রাষ্ট্রের সংস্কার, প্রতিষ্ঠান বা আইনের চূড়ান্ত মানদণ্ড হতে পারে না।

বরং সময়ের প্রয়োজন যদি নতুন ধরনের নেতৃত্ব দাবি করে, তাহলে সেই পরিবর্তনকে তথ্য, আইন, কর্মদক্ষতা ও ফলাফলের ভিত্তিতে বিচার করাই হওয়া উচিত।

দুদকে বিচার বিভাগের নেতৃত্ব তাই শুধু একটি নিয়োগ নয়; এটি দুর্নীতি দমন ব্যবস্থার দীর্ঘদিনের প্রচলিত কাঠামো কতটা বদলানো যায়, তারও একটি বড় পরীক্ষা।


সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর