নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ হুমকি ঠেকাতে সামরিক অভিযান জোরদারের ঘোষণা ইসরায়েলের

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযান Operation Roaring Lion আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও শক্তির ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনছে। তিনি দাবি করেন, ইরানের সামরিক ও কৌশলগত সক্ষমতা দুর্বল করতে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সমন্বিতভাবে কাজ করছে এবং এই অভিযান ইসরায়েলের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই পরিচালিত হচ্ছে।

PostImage

নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ হুমকি ঠেকাতে সামরিক অভিযান জোরদারের ঘোষণা ইসরায়েলের


মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে জাতির উদ্দেশে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী Benjamin Netanyahu। এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, ইসরায়েলের সামরিক অভিযান “Operation Roaring Lion” মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনছে এবং ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।


নেতানিয়াহু বলেন, এই অভিযানে ইসরায়েল ইরানের সামরিক অবকাঠামো ও তাদের আঞ্চলিক মিত্রদের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। বিশেষ করে লেবাননে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠী Hezbollah-এর সক্ষমতা দুর্বল করার জন্য ইসরায়েল ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


তিনি দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নজিরবিহীন সহযোগিতার ফলে এই অভিযানে বড় ধরনের কৌশলগত সাফল্য এসেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট Donald Trump-এর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। নেতানিয়াহুর ভাষায়, এই অংশীদারিত্ব শুধু ইসরায়েলের নিরাপত্তাই নয়, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের শক্তির ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।


ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের হুমকির কথাও তুলে ধরেন তিনি। নেতানিয়াহুর দাবি, তেহরান দীর্ঘদিন ধরে আঞ্চলিক জোট গড়ে তুলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক চাপ তৈরি করেছে এবং একই সঙ্গে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। তিনি বলেন, এসব হুমকি ঠেকাতে ইসরায়েল অতীতে বহু গোপন ও প্রকাশ্য অভিযান পরিচালনা করেছে।


নেতানিয়াহু আরও বলেন, ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযান শুধু নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নয়, বরং ভবিষ্যতে বড় ধরনের হুমকি প্রতিরোধের উদ্দেশ্যেও পরিচালিত হচ্ছে। তার মতে, ইসরায়েল এখন আগের চেয়ে বেশি শক্তিশালী এবং আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করছে।


একই সঙ্গে তিনি ইরানের জনগণের প্রতিও বার্তা দেন। নেতানিয়াহুর বক্তব্য অনুযায়ী, ভবিষ্যতে ইরানে রাজনৈতিক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে এবং সে ক্ষেত্রে জনগণের ভূমিকাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হবে।


শেষে ইসরায়েলের নাগরিকদের ধৈর্য ও সহনশীলতার প্রশংসা করে তিনি বলেন, কঠিন সময়েও দেশের মানুষ নিরাপত্তা নির্দেশনা মেনে চলছেন এবং সেটিই দেশকে এগিয়ে যেতে শক্তি দিচ্ছে।