রাজপরিবারে আবারও বিতর্ক

রাজকীয় দায়িত্ব থেকে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ—Prince Andrew-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছেই। রাজপ্রাসাদ জানিয়েছে, তারা আইনি প্রক্রিয়াকে সমর্থন করছে।

PostImage

রাজপরিবারে আবারও বিতর্ক


ব্রিটেনের রাজা King Charles III-এর ছোট ভাই Prince Andrew-কে সরকারি দায়িত্বে অসদাচরণের সন্দেহে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশ তাকে “তদন্তাধীন অবস্থায়” ছেড়ে দিয়েছে। এর অর্থ হলো—এখনও তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়নি, কিন্তু তদন্ত চলছে।

কী অভিযোগ?

অভিযোগ রয়েছে, প্রিন্স অ্যান্ড্রু যখন যুক্তরাজ্যের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছিলেন, তখন তিনি কিছু গোপন সরকারি নথি মার্কিন দণ্ডিত যৌন অপরাধী Jeffrey Epstein-এর কাছে পাঠিয়েছিলেন।

পুলিশের দাবি, এই অভিযোগের ভিত্তিতে তারা তদন্ত শুরু করেছে। এই তদন্ত পরিচালনা করছে Thames Valley Police

কেন ঘটনাটি গুরুত্বপূর্ণ?

আধুনিক ব্রিটিশ ইতিহাসে কোনো জ্যেষ্ঠ রাজপরিবারের সদস্যকে এভাবে গ্রেপ্তার করার ঘটনা প্রায় নজিরবিহীন। প্রিন্স অ্যান্ড্রু বর্তমানে সিংহাসনের অষ্টম উত্তরাধিকারী।

রাজা চার্লস এক বিবৃতিতে বলেছেন,
“আইন তার নিজস্ব পথে চলবে।”
তিনি আরও জানান, রাজপরিবার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে।

প্রিন্স অ্যান্ড্রুর নাম আগেও জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে বিতর্কে জড়িয়েছিল। তিনি সবসময় অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, যদিও এপস্টেইনের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করেছেন।

২০২২ সালে এপস্টেইনের অভিযোগকারী Virginia Giuffre-এর করা একটি দেওয়ানি মামলা তিনি সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসা করেন। তবে বর্তমান তদন্ত সেই মামলার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

“সরকারি দায়িত্বে অসদাচরণ” প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। তবে এখনো তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়নি। তাই আইনগতভাবে তিনি দোষী নন, যতক্ষণ না আদালতে প্রমাণিত হচ্ছে।


সারসংক্ষেপ

  • প্রিন্স অ্যান্ড্রুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।

  • দিনভর জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে তদন্তাধীন অবস্থায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

  • অভিযোগ: গোপন সরকারি নথি জেফরি এপস্টেইনকে পাঠানো।

  • এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন হয়নি।

  • রাজা চার্লস বলেছেন, আইন তার নিজস্ব পথে চলবে।