তারুণ্যের নেতৃত্বে পরিবর্তনের ডাক—ঢাকা-১৭ এ মাঠে Power of Youth
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর ঢাকা-১৭ আসনে রাজনৈতিক তৎপরতা জোরদার হচ্ছে। তরুণদের সংগঠিত উদ্যোগ “Power of Youth – তারুণ্যের শক্তি” এর নেতৃত্বে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে শুরু হয়েছে ব্যাপক জনসংযোগ কার্যক্রম।
তারুণ্যের নেতৃত্বে পরিবর্তনের ডাক—ঢাকা-১৭ এ মাঠে Power of Youth
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজধানীর ঢাকা-১৭ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিচালনার লক্ষ্যে জনসংযোগ কার্যক্রম শুরু করেছে “Power of Youth – তারুণ্যের শক্তি”।
বৃহস্পতিবার ২২ জানুয়ারি দুপুর থেকে ছিল এই নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিচালনা উপকমিটির জনসংযোগ কার্যক্রমের প্রথম দিন। Power of Youth-এর আহ্বায়ক শওকত আজিজের নেতৃত্বে দিনব্যাপী এই কর্মসূচি পরিচালিত হয়। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ও জনসমাগমস্থলে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ব্যাপক জনসংযোগ চালানো হয়।
এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণ করেন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, সামাজিক সংগঠক এবং বিভিন্ন পেশাজীবী তরুণরা। তাদের যৌথ সমন্বয়ে গঠিত নির্বাচনী ক্যাম্পেইন পরিচালনা উপকমিটি, আহ্বায়ক শওকত আজিজের দিকনির্দেশনায় মাঠপর্যায়ে সংগঠিতভাবে জনসংযোগ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
জনসংযোগ চলাকালে ভোটারদের উদ্দেশ্যে দলের বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির কথা বলেন।
''সবার আগে বাংলাদেশ,, এই স্লোগানকে সামনে রেখে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং আগামীর বাংলাদেশ গঠনের বার্তা তুলে ধরা হয়।
ক্যাম্পেইন টিম সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন, তাদের মতামত শোনেন এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মাঝে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সক্রিয় অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা, কর্মসংস্থান, আইনের শাসন এবং যুবসমাজের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের বিষয়গুলো গুরুত্বসহকারে তুলে ধরা হয়।
Power of Youth-এর আহ্বায়ক শওকত আজিজ বলেন,
“তরুণদের শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করেই আমরা গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের এই লড়াইকে এগিয়ে নিতে চাই। ঢাকা-১৭ আসনে আমাদের এই জনসংযোগ কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চলবে।
জনসংযোগের প্রথম দিনেই সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। অনেক ভোটার তরুণদের এই সংগঠিত উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।