হোয়াইট হাউসের বৈঠকে ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় জোর

হোয়াইট হাউসে এক তাৎপর্যপূর্ণ কূটনৈতিক বৈঠকে ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া করিনা মাচাদো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠককালে তিনি তাঁর ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক ট্রাম্পকে সম্মানসূচক উপহার হিসেবে তুলে দেন, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

PostImage

হোয়াইট হাউসের বৈঠকে ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনায় জোর


ভেনেজুয়েলার বিরোধীদলীয় নেতা মারিয়া করিনা মাচাদো তাঁর ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার–এর পদক হোয়াইট হাউসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে. ট্রাম্প–কে সম্মানসূচক উপহার হিসেবে প্রদান করেছেন। মাচাদো জানান, ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ট্রাম্পের “অনন্য ও ঐতিহাসিক প্রতিশ্রুতি”–র স্বীকৃতি হিসেবেই তিনি এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।

এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫ জানুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার, হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে মাচাদো যুক্তরাষ্ট্রের উভয় দলের (ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান) সেনেটরদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই আলোচনার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর বৈঠক “খুব ভালো” হয়েছে এবং এতে ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে গঠনমূলক আলোচনা হয়েছে।

মারিয়া করিনা মাচাদো ২০২৫ সালে ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবর্তনের পক্ষে ভূমিকার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বে ভেনেজুয়েলার রাজনৈতিক সংকট মোকাবিলায় যে ভূমিকা রেখেছে, তা দেশটির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যাল–এ মাচাদোর এই gesture–কে “পারস্পরিক সম্মান ও বন্ধুত্বের এক অসাধারণ প্রতীক” হিসেবে উল্লেখ করেন এবং নোবেল পদক উপহারের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। হোয়াইট হাউস সূত্র জানায়, ট্রাম্প এই পদকটি স্মারক হিসেবে সংরক্ষণ করবেন।

তবে নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট স্পষ্টভাবে জানিয়েছে যে নোবেল শান্তি পুরস্কার কোনোভাবেই ভাগ, স্থানান্তর বা হস্তান্তরযোগ্য নয়। ফলে আইনগত ও আনুষ্ঠানিকভাবে মারিয়া করিনা মাচাদোই নোবেল শান্তি পুরস্কারের একমাত্র স্বীকৃত বিজয়ী থাকছেন। ট্রাম্পের কাছে পদক দেওয়া ছিল সম্পূর্ণ প্রতীকী ও সম্মানসূচক একটি উদ্যোগ।

বৈঠকে ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক রূপান্তর, গণতান্ত্রিক নির্বাচন, নেতৃত্বের বৈধতা এবং দেশটির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিয়েও আলোচনা হয়। উভয় নেতা ভেনেজুয়েলায় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত পোষণ করেন।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর