ভেনিজুয়েলায় জরুরি অবস্থা: মার্কিন হামলার পর রাষ্ট্রীয় অভিযান জোরদার

মার্কিন হামলার পরে ভেনিজুয়েলা বলছে—“আমাদের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করা হয়েছে, তবে আমরা নীরব থাকব না।” পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তাকারী বা হামলার সাথে যুক্ত প্রত্যেককে খুঁজে বের করতে।

PostImage

ভেনিজুয়েলায় জরুরি অবস্থা: মার্কিন হামলার পর রাষ্ট্রীয় অভিযান জোরদার


ভেনিজুয়েলার সরকার একটি জরুরি অবস্থার ঘোষণা করেছে, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক হামলার পর প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার ঘটনায় কার্যকর হয়েছে। সরকারি ঘোষণাপত্র অনুযায়ী, পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে “যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র হামলার প্রচারণা বা সহায়তাকারী প্রত্যেককে অবিলম্বে খুঁজে বের করে গ্রেফতার করতে”

সরকারি ডিক্রি অনুযায়ী, জরুরি অবস্থা শনিবার থেকে কার্যকর, তবে এর পূর্ণ লেখা সোমবার প্রকাশ করা হয়েছে। ডিক্রিতে আরও বলা হয়েছে যে, যেসব ব্যক্তি বা গোষ্ঠী এই হামলার সঙ্গে যুক্ত বা তা সমর্থন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে জাতীয় অনুসন্ধান এবং গ্রেফতারের কার্যক্রম অবিলম্বে শুরু করা হবে।

ভেনিজুয়েলার সরকারি কর্মকর্তা এবং রাষ্ট্রীয় মিডিয়ার মাধ্যমে এই পদক্ষেপকে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ প্রতিরোধের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বাহিনী ইতিমধ্যেই রাজধানী কারাকাস ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরে নজরদারি এবং অভিযান শুরু করেছে।

এই জরুরি অবস্থা ঘোষণার পটভূমিতে রয়েছে মার্কিন সামরিক বাহিনী কর্তৃক মাদুরোকে আটক করার অভিযোগ। যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন এই হামলাকে “গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে” নেওয়া পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করলেও, ভেনিজুয়েলার সরকার এটিকে সরাসরি রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ এবং সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি দেশটির রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা আরও তীব্র করবে এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্র-ভেনিজুয়েলার সম্পর্ককে নতুনভাবে উত্তেজিত করবে।