ট্রাম্পের নীতিতে আবার সাশ্রয়ী হচ্ছে আমেরিকার জীবনযাপন: দাবি রিপাবলিকানদের

সাম্প্রতিক সময়ে ডেমোক্র্যাটরা “আফোর্ডেবিলিটি” শব্দটিকে রাজনৈতিক প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। নিউইয়র্ক সিটির ‘সোশ্যালিস্ট’ মেয়র জোহরান মামদানি বা ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট গভর্নর অ্যাবিগেইল স্প্যানবার্গারের জয়কে তাঁরা ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে জনরায়ের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরছেন।

PostImage

ট্রাম্পের নীতিতে আবার সাশ্রয়ী হচ্ছে আমেরিকার জীবনযাপন: দাবি রিপাবলিকানদের


যুক্তরাষ্ট্রে জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে রিপাবলিকান নেতারা দাবি করছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতি দেশের সাধারণ মানুষের জন্য জীবনকে আবার সাশ্রয়ী করে তুলছে। তাঁদের মতে, ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’-এর তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ধারা কর্মীদের আয় বাড়াতে এবং ব্যবসায়িক বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ডেমোক্র্যাটরা “আফোর্ডেবিলিটি” শব্দটিকে রাজনৈতিক প্রচারণার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করেছে। নিউইয়র্ক সিটির ‘সোশ্যালিস্ট’ মেয়র জোহরান মামদানি বা ভার্জিনিয়ার ডেমোক্র্যাট গভর্নর অ্যাবিগেইল স্প্যানবার্গারের জয়কে তাঁরা ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির বিরুদ্ধে জনরায়ের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরছেন।

তবে রিপাবলিকানদের দাবি, এই আলোচনাগুলো প্রকৃত বাস্তবতা আড়াল করছে। তারা বলছে, ডেমোক্র্যাটদের এই ব্যাখ্যা সাম্প্রতিক অতীতকে উপেক্ষা করে এবং বর্তমান অর্থনৈতিক সূচক ও নীতির প্রভাবকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে। রিপাবলিকানদের মতে, ট্রাম্পের অর্থনৈতিক পরিকল্পনা আবারও দেশজুড়ে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং পরিবারগোষ্ঠীর ব্যয়ভার কমাতে সহায়ক হচ্ছে।

‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’-এর মূল লক্ষ্য

রিপাবলিকান সূত্রগুলো জানায়, প্রস্তাবিত নীতিমালার তিনটি প্রধান দিক হলো—

1. মজুরি বৃদ্ধি: বিভিন্ন শিল্পখাতে কর্মীদের হাতে প্রকৃত আয় বাড়ানো।

2. ব্যবসায়িক বিনিয়োগে প্রণোদনা: ছোট ও মাঝারি ব্যবসার সম্প্রসারণকে আরও সহজ করা।

3. উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি: শিল্পখাতে নতুন প্রযুক্ত

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর