আফগান নাগরিককে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ—“আমরা তাদের চাই না”, প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তা

রিপাবলিকান নেতারা অভিযোগ করেছেন, আফগান প্রত্যাগতদের নিরাপত্তা যাচাইয়ে আগের প্রশাসনের কোনো ব্যর্থতা ছিল না—বর্তমান প্রশাসন ব্যর্থতা ঢাকতে আগের সরকারকে দোষ দিচ্ছে।

PostImage

আফগান নাগরিককে ঘিরে নিরাপত্তা উদ্বেগ—“আমরা তাদের চাই না”, প্রেসিডেন্টের কড়া বার্তা


যুক্তরাষ্ট্রে সাম্প্রতিক এক হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন ব্যক্তি একজন আফগান নাগরিক—যাকে আগের প্রশাসনের সময় দেশে আনা হয়েছিল। এ ঘটনায় দেশজুড়ে নিরাপত্তা ও অভিবাসন নীতিকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট বাইডেন (POTUS) কঠোর ভাষায় বলেন,

“সন্দেহভাজন ব্যক্তি একজন আফগান নাগরিক, যাকে আগের প্রশাসন এখানে নিয়ে এসেছিল… আমাদের দেশের ভেতরে কে প্রবেশ করছে এবং কে এখানে অবস্থান করছে—এটি নিয়ন্ত্রণ করাই আমাদের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা অগ্রাধিকার। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই, আমরা তাদের এখানে চাই না।”

নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়ছে—হোয়াইট হাউস

হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই ঘটনার পর থেকে সীমান্ত নজরদারি, ভিসা যাচাই এবং আশ্রয়প্রার্থী স্ক্রিনিং আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রেসিডেন্টের বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে প্রশাসন অভিবাসন নীতি আরও কঠোর করতে যাচ্ছে।

কঠোর অভিবাসন নীতি সামনে আসছে?

বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্টের এ মন্তব্য মার্কিন জনমতের দিকে লক্ষ রেখে করা হয়েছে। আফগানিস্তান থেকে আনা ব্যক্তিদের মধ্যেই নিরাপত্তা হুমকি লুকিয়ে থাকতে পারে—এই দাবি দীর্ঘদিন ধরেই রিপাবলিকান রাজনীতিকরা করে আসছিলেন। এখন ডেমোক্র্যাট প্রশাসনও একই উদ্বেগ প্রকাশ করায় অভিবাসন নীতিতে কঠোর অবস্থান আরও জোরদার হতে পারে।

বিভিন্ন মহলের প্রতিক্রিয়া

  • ডেমোক্র্যাটপন্থী গোষ্ঠী বলছে, এই মন্তব্য নির্বাচনকে সামনে রেখে নিরাপত্তা ইস্যুতে শক্ত অবস্থান দেখানোর অংশ।

  • রিপাবলিকান নেতারা অভিযোগ করেছেন, আফগান প্রত্যাগতদের নিরাপত্তা যাচাইয়ে আগের প্রশাসনের কোনো ব্যর্থতা ছিল না—বর্তমান প্রশাসন ব্যর্থতা ঢাকতে আগের সরকারকে দোষ দিচ্ছে।

  • মানবাধিকার সংগঠনগুলো সতর্ক করে বলছে, কয়েকজন অপরাধীর কারণে শরণার্থী ও যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের ওপর বিরূপ ধারণা তৈরি হলে তা দীর্ঘমেয়াদে বিপরীত প্রভাব ফেলবে।

ঘটনার তদন্ত চলছে

ফেডারেল ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথভাবে ঘটনাটি তদন্ত করছে। সন্দেহভাজন ব্যক্তি কীভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছিলেন, তার প্রোফাইল কী ছিল এবং কোনো গোপন সেলে যুক্ত ছিলেন কি না—তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর