যুক্তরাষ্ট্রে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়ায় বাধা, বাংলাদেশি দক্ষ কর্মীদেরও জরুরি সতর্কতা জানুন
প্রযুক্তি খাতে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের গ্রিনকার্ড স্পনসরশিপ নিয়ে নতুন উদ্বেগ; আবেদনকারীদের নিজেদের প্রতিষ্ঠানের অবস্থা যাচাই করা জরুরি।
যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকটি বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও তথ্যপ্রযুক্তি সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের স্থায়ী বসবাসের অনুমতিপ্রক্রিয়া নিয়ে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। রয়টার্সের ৮ অক্টোবরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসন মাইক্রোসফট, অ্যাডোবি এবং ইনফোসিস, টাটা কনসালট্যান্সি সার্ভিসেস ও উইপ্রোর মতো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে কর্মসংস্থানভিত্তিক গ্রিনকার্ড প্রক্রিয়া স্থগিত বা সীমিত করার পদক্ষেপ নিয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শ্রম বিভাগ এসব প্রতিষ্ঠানের বিদেশি কর্মী নিয়োগ ও স্থায়ী বসবাসের অনুমতির জন্য প্রয়োজনীয় কিছু প্রক্রিয়া নিয়ে পদক্ষেপ নিয়েছে। প্রশাসনের অভিযোগ, কিছু প্রতিষ্ঠান মার্কিন কর্মীদের স্বার্থ যথাযথভাবে বিবেচনা না করে বিদেশি কর্মীদের জন্য ব্যবস্থাটির সুবিধা নিয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান ও আইনি প্রক্রিয়ার অগ্রগতি অনুসারে পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বাংলাদেশি সফটওয়্যার প্রকৌশলী, তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এবং এইচ-১বি ভিসাধারীদের জন্য বিষয়টি প্রাসঙ্গিক হতে পারে, বিশেষত তাঁদের নিয়োগকর্তা যদি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তালিকায় থাকে। তবে এই খবর থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে না যে সব বাংলাদেশি প্রযুক্তিকর্মীর গ্রিনকার্ড আবেদন বন্ধ হয়ে গেছে বা তাঁদের ভিসা বাতিল হয়েছে।
যাঁদের প্রতিষ্ঠান গ্রিনকার্ড স্পনসর করছে, তাঁদের মানবসম্পদ বিভাগ বা অভিবাসন আইনজীবীর কাছ থেকে লিখিতভাবে জানতে হবে তাঁদের নির্দিষ্ট আবেদন প্রভাবিত হয়েছে কি না। পিইআরএম শ্রম-সনদ প্রক্রিয়া, আই-১৪০ আবেদন, এইচ-১বি ভিসার মেয়াদ এবং স্থায়ী বসবাসের অনুমতি আলাদা বিষয়। একটি প্রক্রিয়ায় বাধা তৈরি হওয়া মানেই অন্য সব অভিবাসন-সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাওয়া নয়।





