ব্রেকিং
গোপন ক্যামেরায় ধরা সহকর্মীর পানিতে বিষ মেশানোর দৃশ্য, দণ্ড বাতিলের আবেদন অভিযুক্তেররুশ ডিজেল চুক্তিতে ট্রাম্পকে চাপে ফেললেন নিজ দলের নেতারা, নিষেধাজ্ঞা ফেরানোর উদ্যোগজ্বালানি ও খাবারের বাড়তি খরচে চাপে মার্কিন পরিবার, নির্বাচনের আগে বাড়ছে অসন্তোষফ্লু থেকে সেরে প্রচারে ফিরলেন তালারিকো, মানসিক চিকিৎসার গুজব উড়িয়ে দিলেনউত্তর কোরিয়ার একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপে জাপান সাগরে নতুন নিরাপত্তা উদ্বেগ বাড়ল

গোপন ক্যামেরায় ধরা সহকর্মীর পানিতে বিষ মেশানোর দৃশ্য, দণ্ড বাতিলের আবেদন অভিযুক্তের

যুক্তরাষ্ট্রের বার্কলিতে সহকর্মীর পানিতে বিষাক্ত ধাতু মেশানোর ঘটনায় দণ্ডিত ডেভিড জু প্রবেশন শেষ করে অপরাধের দণ্ডাদেশ বাতিলের আবেদন করেছে।

গোপন ক্যামেরায় ধরা সহকর্মীর পানিতে বিষ মেশানোর দৃশ্য, দণ্ড বাতিলের আবেদন অভিযুক্তের
গোপন ক্যামেরায় ধরা সহকর্মীর পানিতে বিষ মেশানোর দৃশ্য, দণ্ড বাতিলের আবেদন অভিযুক্তের

যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের বার্কলিতে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন এক নারী প্রকৌশলী। চিকিৎসা করিয়েও রোগের কারণ খুঁজে পাচ্ছিলেন না তিনি। কখনো বমি, কখনো চুল পড়ে যাওয়া, আবার কখনো এমন শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিচ্ছিল যে তাঁকে জরুরি চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে হতো। একপর্যায়ে তাঁর সন্দেহ হয়, কর্মস্থলে রেখে যাওয়া খাবার কিংবা পানির সঙ্গে কিছু একটা করা হচ্ছে। সেই সন্দেহ থেকেই নিজের কর্মস্থলে গোপন ক্যামেরা বসান তিনি। ক্যামেরায় ধারণ করা দৃশ্য এবং পরবর্তী পরীক্ষায় পাওয়া তথ্য শেষ পর্যন্ত নিয়ে যায় এক ভয়াবহ অভিযোগের দিকে। তাঁরই সহকর্মী ডেভিড জু তাঁর পানির বোতলে বিষাক্ত ধাতু মিশিয়েছিলেন বলে তদন্তে উঠে আসে।
ঘটনাটি আবারও আলোচনায় এসেছে ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে। কারণ, এই মামলায় গুরুতর অপরাধে দণ্ডিত ডেভিড জু দুই বছরের প্রবেশন শেষ করার পর নিজের অপরাধের দণ্ডাদেশ বাতিলের আবেদন করেছেন। অন্যদিকে, ভুক্তভোগী নারী রং ইউয়ান এখনো দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর আশঙ্কা, আদালত আবেদন মঞ্জুর করলে ভবিষ্যতে চাকরির জন্য নিয়োগদাতাদের করা সাধারণ অপরাধের ইতিহাস যাচাইয়ে তাঁর সহকর্মীর দণ্ডাদেশ আর আগের মতো দৃশ্যমান নাও থাকতে পারে। তবে আইনি প্রক্রিয়ায় দণ্ডাদেশ বাতিল হলেও মামলার সব নথি মুছে যায় না।

ঘটনাটির সূত্রপাত ২০১৭ সালে। রং ইউয়ান বার্কলি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড রিসার্চ নামের একটি প্রকৌশল পরামর্শক প্রতিষ্ঠানে কাজ শুরু করেন। তিনি ও ডেভিড জু দুজনই ধাতুবিদ্যাসংশ্লিষ্ট বিষয়ে দক্ষ ছিলেন। একই প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় তাঁদের পেশাগত সম্পর্ক কেমন ছিল, তা নিয়ে পরবর্তী সময়ে নানা তথ্য সামনে আসে। তবে অপরাধের সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ প্রকাশ্যে নিশ্চিত কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি।
ইউয়ানের বর্ণনা অনুযায়ী, ২০১৭ সালের শুরুর দিকে তাঁর শরীরে অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে। প্রথম দিকে বমি বমি ভাব, শুকনো বমি এবং চুল পড়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিত। পরে খাবার ও পানির স্বাদে অস্বাভাবিকতা অনুভব করেন তিনি। বিশেষ করে কর্মস্থলে রাখা পানির বোতল থেকে পানি পান করার পর তাঁর অসুস্থতা বাড়ত বলে তিনি লক্ষ করেন। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া, বিভিন্ন পরীক্ষা করানো এবং রোগের কারণ অনুসন্ধানের পরও দীর্ঘদিন সমস্যার সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যাচ্ছিল না।
অসুস্থতা বাড়তে থাকায় ইউয়ান একাধিকবার হাসপাতালে যান। তাঁর আশঙ্কা হয়েছিল, হয়তো তিনি গুরুতর কোনো রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। এমনকি চিকিৎসার জন্য চীনেও গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু নানা পরীক্ষা করেও সমস্যার প্রকৃত কারণ শনাক্ত করা যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে এমন পরিস্থিতির মধ্যে থাকায় তাঁর স্বাভাবিক জীবন ও কর্মজীবন ব্যাহত হতে থাকে।
২০১৮ সালের শেষ দিকে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে ওঠে। ইউয়ানের মা-বাবা তাঁর কাছে বেড়াতে আসেন। একসময় তাঁর পানির বোতলে থাকা পানি ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের জন্য ভাতের মাড় বা চালের পাতলা খাবার তৈরি করা হয়। সেই পানি ব্যবহারের পর তাঁর মা-বাবাও অসুস্থ হয়ে পড়েন বলে আদালতে জমা দেওয়া নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পরিবারের অন্য সদস্যদের অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনা ইউয়ানের সন্দেহ আরও বাড়িয়ে দেয়।

ইউয়ানের মা পানিতে কোনো সমস্যা থাকতে পারে বলে ধারণা দেন। এরপর ইউয়ান বুঝতে পারেন, বিষয়টি কেবল তাঁর নিজের অসুস্থতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। কর্মস্থলে রাখা খাবার ও পানির নিরাপত্তা নিয়ে তাঁর উদ্বেগ তৈরি হয়। তিনি সন্দেহ করেন, কেউ হয়তো ইচ্ছাকৃতভাবে তাঁর খাবার বা পানীয়তে ক্ষতিকর কিছু মিশিয়ে দিচ্ছে।

২০১৯ সালের শুরুতে তিনি নিজের কর্মস্থলে একটি গোপন ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেন। অনলাইনে কেনা ক্যামেরাটি এমনভাবে স্থাপন করা হয়, যাতে তাঁর কাজের টেবিলের আশপাশের কার্যকলাপ ধারণ করা যায়। উদ্দেশ্য ছিল, তাঁর অনুপস্থিতিতে কেউ পানির বোতল বা খাবারের সঙ্গে কিছু করছে কি না, তা খুঁজে বের করা।
ক্যামেরায় ধারণ করা দৃশ্যের মধ্যে ২০১৯ সালের ৪ মার্চের একটি ভিডিও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। ওই ভিডিওতে ডেভিড জুকে ইউয়ানের টেবিলের কাছে এসে তাঁর পানির বোতল খুলতে দেখা যায়। এরপর একটি ছোট সাদা পাত্র থেকে বোতলে কোনো পদার্থ ঢালতে দেখা যায় তাঁকে। কিছুক্ষণ পর তিনি আবার ফিরে এসে বোতলটির অবস্থান পরিবর্তন করেন, যাতে সেটি আগের জায়গায় রাখা আছে বলে মনে হয়। এর আগে ১১ ফেব্রুয়ারির আরেকটি ভিডিওতেও বোতলের আশপাশে তাঁর নড়াচড়া ধরা পড়েছিল বলে তদন্তসংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

ভিডিও দেখার পর ইউয়ান পুলিশের কাছে যান এবং ক্যামেরায় ধারণ করা দৃশ্য ও পানির নমুনা তদন্তকারীদের কাছে জমা দেন। এর পরই বিষয়টি গুরুতর ফৌজদারি তদন্তে রূপ নেয়।
তদন্তকারীরা ইউয়ানের পানির নমুনা পরীক্ষা করে বিষাক্ত ভারী ধাতু ক্যাডমিয়ামের উপস্থিতি পান। সান ফ্রান্সিসকো স্ট্যান্ডার্ডের ২০২৬ সালের ১০ অক্টোবরের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরীক্ষাগারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পানির নমুনায় ক্যাডমিয়ামের মাত্রা যুক্তরাষ্ট্রের পানীয় জলের নির্ধারিত সীমার তুলনায় সর্বোচ্চ সাড়ে ৩৫ লাখ গুণ পর্যন্ত বেশি ছিল। এটি একটি নির্দিষ্ট নমুনার পরীক্ষার ফলাফল; সব সময়ের পানির নমুনায় একই মাত্রা ছিল, এমন দাবি করার সুযোগ নেই।
ক্যাডমিয়াম একটি বিষাক্ত ভারী ধাতু। ব্যাটারি, রং, ধাতব প্রলেপসহ বিভিন্ন শিল্পক্ষেত্রে এর ব্যবহার রয়েছে। কিন্তু মানুষের শরীরে অতিরিক্ত ক্যাডমিয়াম প্রবেশ করলে তা গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। বেশি মাত্রায় গ্রহণের ফলে বমি, ডায়রিয়া ও পরিপাকতন্ত্রের তীব্র সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এর সংস্পর্শে থাকলে কিডনির ক্ষতি এবং হাড় দুর্বল হওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

বার্কলির পুলিশ ইউয়ানের পাশাপাশি তাঁর মা-বাবার শরীরেও ক্যাডমিয়ামের উপস্থিতি পরীক্ষা করে। আদালতে উপস্থাপিত প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, তিনজনের রক্তেই ক্যাডমিয়ামের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। তদন্তকারীদের ধারণা ছিল, তাঁরা কয়েক সপ্তাহ বা কয়েক মাস ধরে এই বিষাক্ত ধাতুর সংস্পর্শে এসে থাকতে পারেন। তবে প্রত্যেকের অসুস্থতার জন্য ঠিক কতটা ক্যাডমিয়াম দায়ী, তা নির্ধারণ করা পৃথক চিকিৎসাগত মূল্যায়নের বিষয়।

২০১৯ সালের ২৮ মার্চ ডেভিড জুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বিরুদ্ধে পূর্বপরিকল্পিত হত্যাচেষ্টা এবং বিষ প্রয়োগের দুটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাঁর দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ড, এমনকি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের ঝুঁকিও ছিল। গ্রেপ্তারের পর তাঁর জামিনের অর্থ নির্ধারণ করা হয় ২০ লাখ ডলার। পরবর্তী সময়ে তিনি জামিনে মুক্তি পান এবং কিছু সময় বৈদ্যুতিন নজরদারিসহ গৃহবন্দি অবস্থায় ছিলেন।

মামলাটি কয়েক বছর ধরে আদালতে চলার পর ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে বড় পরিবর্তন আসে। প্রসিকিউশনের সঙ্গে সমঝোতার ভিত্তিতে জু বিষ প্রয়োগের একটি গুরুতর অপরাধের অভিযোগে দোষ স্বীকার না করেও দণ্ড মেনে নেওয়ার সমতুল্য আবেদন করেন। এর বিনিময়ে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এবং বিষ প্রয়োগের আরেকটি অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থায় এ ধরনের আবেদনকে সাধারণভাবে এমন আবেদন হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যেখানে অভিযুক্ত সরাসরি অপরাধ স্বীকার না করলেও আদালতের কাছে দণ্ড গ্রহণ করেন।

২০২৪ সালের ১৪ মার্চ আদালত তাঁকে দুই বছরের প্রবেশন দেন। প্রথমে এক বছরের প্রবেশনের সমঝোতা থাকলেও বিচারক কিম্বারলি কোলওয়েল মেয়াদ বাড়িয়ে দুই বছর করেন। রায় ঘোষণার সময় বিচারক সাজাটিকে অত্যন্ত উদার বলে মন্তব্য করেছিলেন বলে আদালতের নথির ভিত্তিতে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে। জুকে ইউয়ান ও তাঁর মা-বাবার কাছ থেকে দূরে থাকার নির্দেশও দেওয়া হয়।

ক্ষতিপূরণ নিয়েও বিরোধ দেখা দেয়। ইউয়ান প্রায় পাঁচ লাখ ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়েছিলেন বলে আদালতের নথিভিত্তিক প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আদালত তাঁকে ৭ হাজার ৫৮ ডলার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন। এই সিদ্ধান্তে ইউয়ান অসন্তুষ্ট ছিলেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিষক্রিয়ার কারণে দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যসমস্যা এবং কর্মজীবনের ক্ষতির তুলনায় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ খুবই কম। তিনি পুরো সময় কাজ করতে পারছেন না বলেও জানিয়েছেন।

২০২৬ সালের মার্চে জু তাঁর দুই বছরের প্রবেশনের মেয়াদ শেষ করেন। এরপর তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার আইন অনুযায়ী অপরাধের দণ্ডাদেশ বাতিলের আবেদন করেন। এই আইনি প্রক্রিয়ায় প্রবেশনের সব শর্ত পূরণকারী নির্দিষ্ট কিছু দণ্ডিত ব্যক্তি আদালতের কাছে তাঁদের দণ্ডাদেশ বাতিলের আবেদন করতে পারেন। তবে এর অর্থ এই নয় যে, গ্রেপ্তার বা দণ্ডের ইতিহাস সব সরকারি নথি থেকে মুছে যাবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার কাছে নথি থাকতে পারে এবং ভবিষ্যতে নতুন কোনো অপরাধের অভিযোগ উঠলে আগের দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক হতে পারে। নির্দিষ্ট পেশাগত অনুমতির আবেদনেও বিষয়টি প্রকাশ করার বাধ্যবাধকতা থাকতে পারে।

২০২৬ সালের ১০ অক্টোবর প্রকাশিত সান ফ্রান্সিসকো স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আলামেডা কাউন্টির আদালতে ১২ অক্টোবর তাঁর আবেদন শুনানির জন্য নির্ধারিত ছিল। প্রসিকিউটর পক্ষ আবেদনটির বিরোধিতা করছে বলেও ওই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে এই প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত শুনানির চূড়ান্ত ফল জানা যায়নি। ফলে আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন কিংবা প্রত্যাখ্যান করেছেন—এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
ইউয়ানের কাছে এই আইনি প্রক্রিয়া কেবল একটি দণ্ডাদেশের প্রশ্ন নয়। তাঁর আশঙ্কা, দণ্ডাদেশ বাতিল হলে ভবিষ্যতে কোনো নিয়োগদাতা সাধারণ অপরাধের ইতিহাস যাচাইয়ের সময় ঘটনাটি সহজে দেখতে নাও পারেন। তিনি মনে করেন, দীর্ঘদিনের অসুস্থতা, চিকিৎসার ব্যয় এবং কর্মজীবনের ক্ষতির তুলনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি যথেষ্ট শাস্তি পাননি। তাঁর কথায়, বিচারব্যবস্থা ইতিমধ্যে তাঁকে হতাশ করেছে, তাই নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করা এবং ভিডিও সামনে আনা তাঁর কাছে ন্যায়বিচারের শেষ চেষ্টা।

এই ঘটনার আরেকটি দুঃখজনক দিক হলো, ইউয়ানের বাবা ২০২৫ সালে ৭৮ বছর বয়সে হৃদ্‌যন্ত্রের সমস্যায় মারা যান। ইউয়ান তাঁর পরিবারের দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যসমস্যা নিয়ে একটি গবেষণাপত্রও প্রকাশ করেছেন বলে সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। তবে তাঁর বাবার মৃত্যুর সঙ্গে ক্যাডমিয়াম বিষক্রিয়ার সরাসরি কারণগত সম্পর্ক স্বাধীন চিকিৎসাগত প্রমাণ ছাড়া নিশ্চিত করে বলা যায় না


ট্যাগ: যুক্তরাষ্ট্রক্যালিফোর্নিয়াবার্কলিডেভিড জুরং ইউয়ানবিষ প্রয়োগক্যাডমিয়ামআদালতঅপরাধের দণ্ডাদেশজনস্বাস্থ

প্রতিবেদক

CSB News USA

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সংবাদ পান আপনার ইনবক্সে

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।