নিউইয়র্কে পাঁচ বছরের শিশুর সামনেই অভিবাসন কর্মকর্তার গুলি, আতঙ্কে পরিবার ও প্রতিবেশীর

নিউইয়র্কে বাবাকে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনায় আতঙ্কিত প্রতিবেশীরা, গাড়িতে থাকা পাঁচ বছরের শিশু অক্ষত থাকলেও উঠেছে নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন।

নিউইয়র্কে পাঁচ বছরের শিশুর সামনেই অভিবাসন কর্মকর্তার গুলি, আতঙ্কে পরিবার ও প্রতিবেশীর
নিউইয়র্কে পাঁচ বছরের শিশুর সামনেই অভিবাসন কর্মকর্তার গুলি, আতঙ্কে পরিবার ও প্রতিবেশীর

যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অভিবাসন কর্মকর্তাদের একটি অভিযানের সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন ২৮ বছর বয়সী এক ব্যক্তি। সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, গুলির সময় তাঁর গাড়ির পেছনের আসনে বসে ছিল পাঁচ বছরের একটি শিশু, যাকে তাঁর ছেলে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। শিশুটি শারীরিকভাবে অক্ষত রয়েছে। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযানে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউইয়র্কের মার্বেল হিল এলাকায়। আহত ব্যক্তির নাম অস্কার বেলগাল।
ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, একদিকে কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিযানের লক্ষ্য ছিলেন একজনকে গ্রেপ্তার করা; অন্যদিকে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, একটি আবাসিক এলাকায় শিশুসহ গাড়িতে থাকা ব্যক্তিকে আটক করতে গিয়ে কেন আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে হলো। গুলি চালানোর আগে ঠিক কী ঘটেছিল, কর্মকর্তারা কতটা বিপদের মুখে ছিলেন এবং প্রাণঘাতী শক্তি ব্যবহারের বিকল্প ছিল কি না—এসব প্রশ্নের পূর্ণাঙ্গ উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

ঘটনার সময় ও স্থান সম্পর্কে নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার বিকেল প্রায় চারটার দিকে মার্বেল হিল অ্যাভিনিউয়ের কাছে গুলির ঘটনা ঘটে। পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ জানান, পুলিশের জরুরি নম্বরে গুলির খবর আসে এবং কাছাকাছি থাকা পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। তাঁদের প্রাথমিক অনুসন্ধান অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় অভিবাসন কর্মকর্তারা ওই ব্যক্তিকে আটক করার উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনা করছিলেন।

পুলিশ কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী, অস্কার বেলগাল একটি ধূসর রঙের গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গায় পেছনের দিকে নিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় সাধারণ পোশাকে থাকা একজন কেন্দ্রীয় আইনশৃঙ্খলা কর্মকর্তা চালকের পাশের জানালার কাছে এগিয়ে যান। তাঁর হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। আরেকজন কর্মকর্তা গাড়ির সামনের দিকে এগিয়ে যান। এরপর গাড়িটি সামনে চলতে শুরু করে এবং পুলিশের স্থায়ী ক্যামেরার দৃশ্যের বাইরে চলে যায়।
পুলিশ কমিশনারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে অন্তত সাতটি গুলি ছোড়ার তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে একটি গুলি বেলগালের ঘাড়ে লাগে, বাঁ কানের নিচের অংশে। তিনি গুরুতর বিপদের মধ্যে পড়লেও প্রাথমিকভাবে তাঁর আঘাতকে প্রাণঘাতী নয় বলে জানানো হয়। তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসা দেওয়া হয়।

ঘটনার সবচেয়ে সংবেদনশীল দিক হলো গাড়িতে শিশুটির উপস্থিতি। নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানি জানান, গুলির সময় পাঁচ বছরের একটি শিশু গাড়ির পেছনে ছিল। শিশুটি বেলগালের ছেলে বলে ধারণা করা হয়। পরে পুলিশ শিশুটিকে খুঁজে পায় এবং পরিবারের একজন সদস্যের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করে। শিশুটি গুলিবিদ্ধ হয়নি বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

তবে শারীরিকভাবে অক্ষত থাকলেও এমন ঘটনার মানসিক প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ রয়েছে। শিশুটির সামনে বাবাকে গুলি করা হলে তা তার মনে ভয় ও নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি তৈরি করতে পারে। পরিবারের সদস্যদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। কংগ্রেস সদস্য আদ্রিয়ানো এসপাইয়াত জানান, তিনি পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাঁরা খুবই উদ্বিগ্ন ও বিচলিত। শিশুটি ভালো আছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

ঘটনার পর নিউইয়র্কের বাসিন্দাদের প্রতিক্রিয়াও সামনে এসেছে। স্থানীয় এক নারী সংবাদমাধ্যমকে জানান, নিজের সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি ভীত। তাঁর প্রশ্ন, পরিস্থিতি সামাল দিতে গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত কেন নেওয়া হলো, যখন আশপাশে সাধারণ মানুষ ও শিশু থাকতে পারে। তাঁর আশঙ্কা, গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে কোনো পথচারী কিংবা কাছাকাছি থাকা শিশুও আহত হতে পারত। তিনি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ ও বলপ্রয়োগের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। এই ঘটনার পর নিজের এলাকায় আগের মতো নিরাপদ বোধ করছেন না বলেও জানান তিনি।

এ ধরনের প্রতিক্রিয়া শুধু একটি পরিবারের উদ্বেগ নয়; বরং আবাসিক এলাকায় আইন প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়ে বৃহত্তর প্রশ্নের প্রতিফলন। জনবহুল রাস্তায় অভিযান পরিচালনার সময় আশপাশের মানুষের ঝুঁকি কীভাবে মূল্যায়ন করা হয়, কর্মকর্তারা নিজেদের পরিচয় কতটা স্পষ্ট করেন এবং পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে কোন পর্যায়ে অস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—এসব বিষয় জননিরাপত্তার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি ঘটনাটির কঠোর সমালোচনা করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কর্মকর্তারা মুখোশ ও নির্মাণকর্মীদের মতো পোশাক পরেছিলেন। ফলে সাধারণ মানুষের পক্ষে তাঁদের পরিচয় নিশ্চিত করা কঠিন ছিল। মেয়র আরও বলেন, ওই সময় স্কুল ছুটির পর রাস্তায় পরিবার ও শিশুদের চলাচল ছিল। এমন পরিবেশে গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে তিনি প্রশ্ন তোলেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তামন্ত্রী মার্কওয়েন মুলিনের সঙ্গে কথা বলে আহত ব্যক্তিকে মুক্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বলেও জানান। তবে সেই চেষ্টা সফল হয়নি।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ এবং অভিবাসন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ভিন্ন। তাদের দাবি, বেলগালকে আটক করার জন্য আগে থেকেই লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান চালানো হচ্ছিল। কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি কর্মকর্তাদের নির্দেশ মানেননি এবং গাড়ি এগিয়ে নিয়ে সরকারি দুটি গাড়িতে আঘাত করেন। এরপর গাড়ি নিয়ে অন্য কর্মকর্তাদের দিকে এগিয়ে যাওয়ায় তাঁরা বিপদের আশঙ্কা করেছিলেন। এই পরিস্থিতিতে একজন কর্মকর্তা গুলি চালান বলে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
তবে এই বক্তব্যের সব অংশ স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। ঘটনাস্থলের কিছু ক্যামেরার ধারণ করা দৃশ্য গাড়ির গতিবিধি ও কর্মকর্তাদের এগিয়ে যাওয়ার অংশ দেখালেও গুলি চালানোর মুহূর্তটি ধারণ করেনি। তাই সরকারি বক্তব্যের পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ, ভিডিও, গাড়ির ক্ষয়ক্ষতি এবং অন্যান্য প্রমাণ মিলিয়ে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র তৈরি করা জরুরি।

অস্কার বেলগালের অতীত অপরাধসংক্রান্ত তথ্যও আলোচনায় এসেছে। পুলিশ কমিশনারের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ডাকাতিসংক্রান্ত অভিযোগে গ্রেপ্তারের পর তিনি চতুর্থ মাত্রার বড় চুরির অভিযোগে দোষ স্বীকার করেছিলেন এবং পাঁচ বছরের পরীক্ষামূলক মুক্তির সাজা পেয়েছিলেন। ২০২৫ সালে মাদক বিক্রির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা হয়, যা এখনো বিচারাধীন বলে জানানো হয়েছে। বিচারাধীন অভিযোগকে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সমতুল্য ধরা যায় না।
স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ আরও দাবি করেছে, বেলগালের সঙ্গে ত্রিনিতারিওস নামের একটি অপরাধী গোষ্ঠীর যোগাযোগ রয়েছে। তবে এ ধরনের অভিযোগের সত্যতা, সংশ্লিষ্টতার প্রকৃতি এবং বর্তমান ঘটনার সঙ্গে তার সম্পর্ক প্রমাণের জন্য নির্ভরযোগ্য তদন্ত ও নথি প্রয়োজন। কেবল সরকারি অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অপরাধী হিসেবে চূড়ান্তভাবে চিহ্নিত করা উচিত নয়। একইভাবে, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীত অভিযোগ থাকলেও আটক অভিযানে বলপ্রয়োগের যৌক্তিকতা আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

ঘটনার পর নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ তাদের কর্মকর্তাদের ধারণ করা দৃশ্য প্রকাশ করেছে। ওই ভিডিওতে গুলির পরের পরিস্থিতি দেখা যায়। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে বেলগালকে মাটিতে বসে থাকতে দেখেন। আশপাশে অস্ত্রধারী কয়েকজন ব্যক্তিও ছিলেন। পুলিশ সদস্যরা চিকিৎসার ব্যবস্থা করার কথা বলেন এবং পরে তাঁকে নিজেদের গাড়িতে করে হাসপাতালে নিয়ে যান। এই দৃশ্য থেকে গুলি চালানোর আগের পুরো পরিস্থিতি বোঝা যায় না, কারণ পুলিশ জানিয়েছে, তাদের সদস্যরা গুলি চালানোর সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন না এবং অভিযানে অংশও নেননি।

ঘটনার পর বিক্ষোভও হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও প্রতিবাদকারীরা অভিবাসন কর্মকর্তাদের কার্যক্রমের সমালোচনা করেন। সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতের বিক্ষোভের সময় পাঁচজনকে আটক করা হয়। মেয়র ও অন্যান্য জনপ্রতিনিধি ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও স্বাধীন তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা কর্মকর্তাদের ধারণ করা ভিডিও প্রকাশ এবং বলপ্রয়োগের সিদ্ধান্তের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
এই ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো আহত ব্যক্তির আইনি অবস্থান। হাসপাতাল থেকে চিকিৎসার পর বেলগালকে কেন্দ্রীয় অভিবাসন হেফাজতে নেওয়া হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাঁর আইনজীবীরা আটক ও অপসারণের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, একজন বিচারক সাময়িকভাবে তাঁকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে সরিয়ে দেওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। ফলে তাঁর অভিবাসনসংক্রান্ত ভবিষ্যৎ এবং চলমান মামলাগুলোর পরিণতি এখনো বিচারিক প্রক্রিয়ার ওপর নির্ভর করছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব হলো আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন ও নিরাপত্তা রক্ষা করা। সন্দেহভাজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করেছেন কি না, কর্মকর্তাদের গাড়িতে আঘাত করেছেন কি না এবং তাঁরা তাৎক্ষণিকভাবে প্রাণঘাতী বিপদে ছিলেন কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হওয়া দরকার। একই সঙ্গে, গাড়ির ভেতরে শিশু থাকার বিষয়টি কর্মকর্তারা জানতেন কি না, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ। কর্মকর্তারা শিশুটির উপস্থিতি জানতেন না বলে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। কিন্তু এ তথ্য একাই গুলি চালানোর সিদ্ধান্তের বৈধতা বা প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করে না।
এখন সবচেয়ে জরুরি হলো গুলি চালানোর সম্পূর্ণ দৃশ্য, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিবরণ, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, ঘটনাস্থলের আলামত এবং গাড়ির ক্ষয়ক্ষতির তথ্য একত্রে পর্যালোচনা করা। তদন্তে যদি দেখা যায়, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ করা হয়েছে, তাহলে দায় নির্ধারণ ও যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। আর যদি কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক গুরুতর বিপদের মুখে ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়, সেটিও স্বচ্ছভাবে জনসমক্ষে ব্যাখ্যা করা দরকার।

মার্বেল হিলের এই ঘটনা অভিবাসন আইন প্রয়োগের পদ্ধতি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে চলমান বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলেই জনবহুল এলাকায় গুলি চালানোর সিদ্ধান্ত প্রশ্নের ঊর্ধ্বে চলে যায় না। আবার তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কর্মকর্তাদের অপরাধী বলেও ধরে নেওয়া যায় না। প্রমাণভিত্তিক তদন্ত, আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি সম্মান এবং জনসাধারণের কাছে স্পষ্ট জবাবদিহিই এ ঘটনার সত্য উদ্‌ঘাটনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ। পাঁচ বছরের শিশুটি অক্ষত রয়েছে—এটি স্বস্তির খবর। কিন্তু তার পরিবার ও প্রতিবেশীদের মনে যে ভয় তৈরি হয়েছে, তা কাটাতে ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা এবং ভবিষ্যতে এমন ঝুঁকি কমানোর কার্যকর ব্যবস্থা জরুরি।

ট্যাগ: #নিউইয়র্ক #যুক্তরাষ্ট্র #অভিবাসন #গুলি #শিশুরনিরাপত্তা #স্থানীয়খব

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…