স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির বড় কর্মসূচি, নেতৃত্বে মীর শাহে আলম

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহারে বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তাঁর উদ্যোগে দেশের ৬ হাজার ৫৪৪টি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান, দপ্তর, হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টারের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই বিশাল কর্মসূচি বাস্তবায়িত হলে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বা ৩ লাখ কিলোওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তৈরি হবে।

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির বড় কর্মসূচি, নেতৃত্বে মীর শাহে আলম

স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নবায়নযোগ্য জ্বালানির বড় কর্মসূচি, নেতৃত্বে মীর শাহে আলম


সাইফুর রহমান 


বাংলাদেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় আমদানিনির্ভরতা কমাতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর উদ্যোগ নতুন মাত্রা পাচ্ছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতাধীন ৬ হাজার ৫৪৪টি প্রতিষ্ঠান, হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টারের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৩৭০ কোটি টাকা এবং সম্ভাব্য উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট।


বুধবার সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এই কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরেন। সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ২৭ জানুয়ারির মধ্যে কর্মসূচির বাস্তবায়ন এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। 


শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন নয়, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় নতুন জ্বালানি অর্থনীতি


এই কর্মসূচির আওতায় সিটি করপোরেশন, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ, জেলা পরিষদসহ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি এলজিইডির দপ্তর, ওয়াসা, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল সংস্থার স্থাপনা এবং দেশের বিভিন্ন হাট-বাজার ও গ্রোথ সেন্টারের ছাদও এই উদ্যোগের আওতায় আসছে। 


প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে বরাদ্দ করা অর্থের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব রাজস্ব যুক্ত করে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।


পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি অংশ সরাসরি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো ব্যবহার করবে এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।


ঘোষিত হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলো নিজেদের কাজে ব্যবহার করতে পারবে। আর অতিরিক্ত প্রায় ১৫০ মেগাওয়াট নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হবে। অতিরিক্ত বিদ্যুতের জন্য প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা হারে বিক্রির পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে। 


৩৭০ কোটি টাকার বিনিয়োগ, ভবিষ্যতে আয়ের সম্ভাবনা


এই প্রকল্পকে শুধু সরকারি ব্যয় হিসেবে দেখলে এর পুরো অর্থনৈতিক তাৎপর্য ধরা পড়বে না। কারণ সৌর প্যানেল স্থাপনের পর সূর্যের আলো ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে, যার জন্য প্রতিবার কয়লা, তেল বা আমদানি করা গ্যাস কিনতে হয় না।


সরকারি হিসাবে, উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ বিক্রি থেকে পাওয়া রাজস্বের মাধ্যমে প্রকল্পের বিনিয়োগ প্রায় তিন থেকে চার বছরের মধ্যে পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা রয়েছে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এটি নিয়মিত আয়ের একটি উৎসে পরিণত হতে পারে। 


অর্থাৎ একই বিনিয়োগ থেকে দুটি সুবিধা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


প্রথমত, সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর নিজস্ব বিদ্যুৎ ব্যয় কমবে।


দ্বিতীয়ত, অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দিয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলো আয় করতে পারবে।


মীর শাহে আলমের উদ্যোগের বড় দিক কোথায়?


মীর শাহে আলমের নেতৃত্বাধীন স্থানীয় সরকার বিভাগ যে মডেলটি সামনে আনছে, তার বিশেষত্ব হলো এটি কোনো একটি বড় সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল নয়। বরং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার সরকারি ও স্থানীয় অবকাঠামোর অব্যবহৃত ছাদকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজে ব্যবহার করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।


একটি ইউনিয়ন পরিষদের ভবন, একটি পৌরসভা কার্যালয় কিংবা একটি উপজেলা পরিষদের ছাদ আলাদাভাবে ছোট মনে হতে পারে। কিন্তু হাজার হাজার স্থাপনায় একই ব্যবস্থা চালু হলে সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা বড় আকার নিতে পারে।


সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ইউনিয়ন পরিষদগুলোর জন্য ১২০ কোটি টাকা, সিটি করপোরেশনের জন্য ৭৫ কোটি টাকা, উপজেলা পরিষদের জন্য ৯৯ কোটি টাকা, পৌরসভার জন্য ৬৪ কোটি টাকা এবং জেলা পরিষদের জন্য ১২ কোটির কিছু বেশি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। 


জ্বালানি সংকটের সময়ে কেন এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ?


বাংলাদেশের অর্থনীতিতে আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতা একটি বড় বাস্তবতা। সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটে সেই ঝুঁকিও স্পষ্ট হয়েছে। সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ মধ্যপ্রাচ্যকেন্দ্রিক সংঘাতের কারণে তেল ও গ্যাস সরবরাহে অস্থিরতা তৈরি হলে বাংলাদেশে আমদানি করা এলএনজির দাম ও সরবরাহ নিয়ে চাপ তৈরি হয়েছে। 


একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব বাংলাদেশেও পড়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর সরকার ডিজেল, পেট্রোলসহ জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের ওপরও বড় আর্থিক চাপের কথা প্রকাশ্যে এসেছে। 


এই পরিস্থিতিতে দেশের ভেতরে উৎপাদনযোগ্য সৌরবিদ্যুতের পরিমাণ বাড়ানো হলে আমদানি করা জ্বালানির ওপর বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতের নির্ভরতা কমানোর একটি সুযোগ তৈরি হয়।


কত ডলার সাশ্রয় হবে?


এখানে একটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ৩০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ থেকে ঠিক কত মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে, তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা ঠিক হবে না।


কারণ সাশ্রয়ের পরিমাণ নির্ভর করবে সৌরবিদ্যুৎ বছরে কত ইউনিট উৎপাদন করছে, সেই বিদ্যুৎ কোন ধরনের জ্বালানিভিত্তিক উৎপাদনকে প্রতিস্থাপন করছে, তেল, গ্যাস নাকি কয়লা ব্যবহারের পরিমাণ কত কমছে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানির দাম কত থাকছে তার ওপর।


তবে নীতিগতভাবে হিসাবটি পরিষ্কার। দেশে সূর্যের আলো থেকে উৎপাদিত প্রতিটি অতিরিক্ত ইউনিট বিদ্যুৎ যদি আমদানি করা জ্বালানিভিত্তিক উৎপাদনের প্রয়োজন কমায়, তাহলে সেই অংশের জ্বালানি আমদানির জন্য বৈদেশিক মুদ্রার প্রয়োজনও কমতে পারে।


বাংলাদেশ বর্তমানে যে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের দামের ওঠানামার মুখোমুখি হচ্ছে, তাতে এই ধরনের দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।


পরিবেশের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে


সৌরবিদ্যুতের আরেকটি বড় সুবিধা হলো বিদ্যুৎ উৎপাদনের সময় জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর প্রয়োজন হয় না। ফলে দীর্ঘমেয়াদে সৌরবিদ্যুতের অংশ বাড়লে বিদ্যুৎ খাতের কার্বন নিঃসরণ কমানোর সুযোগ তৈরি হয়।


বিশেষ করে শহর ও উপজেলা পর্যায়ের সরকারি ভবনগুলোর ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করলে নতুন করে বড় জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদনের সুযোগ তৈরি হয়।


অর্থাৎ একই ছাদ একদিকে সরকারি দপ্তরের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণ করবে, অন্যদিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ করতে পারবে।


২০ বছরের রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থাও পরিকল্পনায়


এই কর্মসূচির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ। প্রতিমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো নির্বাচিত কোম্পানির সঙ্গে ২০ বছরের চুক্তি করবে। এই সময়ে কোম্পানিগুলো সোলার সিস্টেমের সার্ভিসিং, ওয়ারেন্টি, মনিটরিং এবং কারিগরি সমস্যার সমাধানের দায়িত্ব পালন করবে। (The Business Standard)


এর ফলে প্রকল্পটি শুধু প্যানেল বসানোর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার কাঠামোর মধ্যে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।


বিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি স্থানীয় সরকারের নতুন আয়


এই প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনীতিতেও পরিবর্তন আসতে পারে।


একদিকে অফিস পরিচালনার বিদ্যুৎ ব্যয় কমবে। অন্যদিকে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ গ্রিডে বিক্রি করে আয় করা যাবে। অর্থাৎ স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোকে শুধু কেন্দ্রীয় বরাদ্দের ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব অবকাঠামো থেকে আয় তৈরির একটি নতুন পথ তৈরি হতে পারে।


সরকারি হিসাব অনুযায়ী, বিনিয়োগ পুনরুদ্ধারের পর অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিক্রির আয় স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য নিয়মিত রাজস্বের উৎস হতে পারে। (The Business Standard)


সফল বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ


তবে ৩০০ মেগাওয়াটের লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণাই শেষ কথা নয়। প্রকল্পটির প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে নির্ধারিত সময়ে কতগুলো প্রতিষ্ঠানে প্যানেল বসানো হলো, বাস্তবে কত মেগাওয়াট উৎপাদন হলো, কত বিদ্যুৎ স্থানীয়ভাবে ব্যবহার হলো এবং কতটা জাতীয় গ্রিডে দেওয়া গেল তার ওপর।


পাশাপাশি প্যানেলের গুণমান, ব্যাটারি ও ইনভার্টার ব্যবস্থাপনা, নেট মিটারিং সংযোগ, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ এবং উৎপাদিত বিদ্যুতের সঠিক হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।


এই জায়গায় মীর শাহে আলমের ঘোষিত সময়সীমা এবং ২০ বছরের রক্ষণাবেক্ষণ কাঠামোর বাস্তব প্রয়োগ প্রকল্পটির দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


বাংলাদেশের জ্বালানি ভবিষ্যতের জন্য একটি বড় পরীক্ষা


বাংলাদেশের জন্য নবায়নযোগ্য জ্বালানির সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন আর শুধু প্রযুক্তি নয়। প্রশ্ন হলো, বিদ্যমান সরকারি অবকাঠামোকে কত দ্রুত এবং কত কার্যকরভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সম্পদে পরিণত করা যায়।


৬ হাজার ৫৪৪টি প্রতিষ্ঠানের ছাদে সৌর প্যানেল বসানোর উদ্যোগ সেই পরীক্ষার একটি বড় পরিসরের উদাহরণ।


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের অগ্রাধিকার এবং স্থানীয় সরকার বিভাগে মীর শাহে আলমের মাধ্যমে এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন উদ্যোগ সফল হলে এর প্রভাব শুধু কয়েক হাজার সরকারি ভবনের বিদ্যুৎ বিলের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না।


এর প্রভাব পড়তে পারে স্থানীয় সরকারের রাজস্ব ব্যবস্থায়, জাতীয় গ্রিডে, আমদানি করা জ্বালানির ওপর নির্ভরতায় এবং দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তায়।


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আজ যে অর্থ দিয়ে সৌর প্যানেল বসানো হচ্ছে, সেটি একবারের অবকাঠামোগত বিনিয়োগ হলেও সূর্যের আলো থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ বহু বছর ধরে ব্যবহার করা সম্ভব।


সুতরাং ৩৭০ কোটি টাকার এই উদ্যোগকে শুধু একটি বিদ্যুৎ প্রকল্প হিসেবে নয়, বরং সরকারি অবকাঠামোকে উৎপাদনশীল জ্বালানি সম্পদে রূপান্তরের একটি বৃহৎ কর্মসূচি হিসেবেও দেখা যায়।


এখন নজর থাকবে এক জায়গায়—ঘোষিত ৩০০ মেগাওয়াটের লক্ষ্য কতটা বাস্তবে রূপ নেয় এবং মীর শাহে আলমের নেতৃত্বে স্থানীয় সরকার বিভাগ এই বিশাল কর্মসূচিকে কতটা দ্রুত, স্বচ্ছ ও টেকসইভাবে বাস্তবায়ন করতে পারে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর