জাতিসংঘে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান এরদোয়ানের
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার জোরালো আহ্বান এরদোয়ানের, গাজা সংকট নিরসনে বিশ্বনেতাদের কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
জাতিসংঘে ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান এরদোয়ানের
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ফিলিস্তিনকে এখনো রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়া দেশগুলোর প্রতি নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে দেওয়া ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।
এরদোয়ান বলেন, যেসব দেশ এখনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়নি, তাদের সিদ্ধান্ত নতুন করে বিবেচনা করা উচিত। একই সঙ্গে স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিনের পক্ষে তুরস্কের সমর্থন অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।
ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস টানা দ্বিতীয়বার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সরাসরি উপস্থিত হতে না পারার বিষয়টিও তুলে ধরেন এরদোয়ান। এটিকে ফিলিস্তিনিদের প্রতি অন্যায় হিসেবে বর্ণনা করে তিনি বলেন, আব্বাস উপস্থিত না থাকলেও তুরস্ক স্বাধীন ও সার্বভৌম ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের পক্ষে কথা বলবে।
গাজার পরিস্থিতি নিয়েও কঠোর বক্তব্য দেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। তিনি গাজায় বিপুলসংখ্যক শিশুর মৃত্যু ও অঙ্গহানির প্রসঙ্গ তুলে ধরে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে গাজার পুনর্গঠন দ্রুত শুরু করার এবং এ বিষয়ে ইসরায়েলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর কথা বলেন।
এরদোয়ান পুনর্ব্যক্ত করেন, তুরস্ক ১৯৬৭ সালের সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি স্বাধীন ও ভৌগোলিকভাবে অখণ্ড ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পক্ষে। ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা ঠেকানোর প্রচেষ্টা শেষ পর্যন্ত সফল হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক ২২ সেপ্টেম্বর শুরু হয়েছে এবং ২৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলার কথা। গাজা যুদ্ধ ও দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান এবারের উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক আলোচনার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে।