শান্তির পথে ঐতিহাসিক অগ্রগতি: পুতিনের সঙ্গে ফলপ্রসূ ফোনালাপে বড় পদক্ষেপ ট্রাম্পের
ফোনালাপের শুরুতেই প্রেসিডেন্ট পুতিন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্র ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “এই শান্তি বহু শতাব্দীর স্বপ্ন—আজ তা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।”
শান্তির পথে ঐতিহাসিক অগ্রগতি: পুতিনের সঙ্গে ফলপ্রসূ ফোনালাপে বড় পদক্ষেপ ট্রাম্পের
ওয়াশিংটন, ডি.সি., ১৬ অক্টোবর ২০২৫: বিশ্ব রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত সৃষ্টি হয়েছে—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট Vladimir Putin-এর মধ্যে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ টেলিফোন আলাপের মাধ্যমে। এই আলোচনায় শুধু মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি নয়, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসানের দিকেও এক নতুন আশার আলো জ্বলে উঠেছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, আলোচনাটি ছিল “খুবই সফল ও ফলপ্রসূ।”
ফোনালাপের শুরুতেই প্রেসিডেন্ট পুতিন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্র ও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বকে অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “এই শান্তি বহু শতাব্দীর স্বপ্ন—আজ তা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।”
ট্রাম্প বলেন, এই সাফল্য শুধু মধ্যপ্রাচ্যে নয়, বরং রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধের অবসানেও নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেবে।
পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি Melania Trump-এর শিশুদের কল্যাণে কাজের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এই উদ্যোগ দুই দেশের সম্পর্ক আরও মানবিক ও ইতিবাচক করে তুলছে।
দুই নেতা যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে শক্তিশালী বাণিজ্যিক সহযোগিতা গড়ে তোলার বিষয়ে একমত হন। এছাড়া আগামী সপ্তাহে দুই দেশের উচ্চপর্যায়ের উপদেষ্টাদের মধ্যে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio।
এই বৈঠকের পর দুই দেশের শীর্ষ নেতারা হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে মুখোমুখি বৈঠক করবেন। এই বৈঠকেই যুদ্ধের অবসানের সম্ভাব্য পথ নির্ধারণ হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প আরও জানান, তিনি আগামীকাল ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট Volodymyr Zelenskyy-এর সঙ্গে ওভাল অফিসে বসবেন। আলোচনায় পুতিনের সঙ্গে হওয়া ফোনালাপের বিস্তারিত তুলে ধরা হবে এবং শান্তির পথ নিয়ে আলোচনা করা হবে।
ফোনালাপ শেষে ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, “আজকের টেলিফোন আলাপে আমরা বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জন করেছি। আমি বিশ্বাস করি, এই আলোচনাই শান্তির নতুন অধ্যায়ের সূচনা।”
বিশ্ব কূটনৈতিক অঙ্গনে এই পদক্ষেপকে অনেক বিশ্লেষক “একটি যুগান্তকারী উদ্যোগ” হিসেবে দেখছেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সাহসী কূটনৈতিক পদক্ষেপ কেবল যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়া নয়, সমগ্র বিশ্বের জন্যই শান্তি ও স্থিতিশীলতার নতুন আশা হয়ে উঠছে।