ট্রাম্পের ভোটার আইডি বিল ঘিরে অচলাবস্থা, কংগ্রেসে সমঝোতার চেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump কংগ্রেসে চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার Mike Johnson–এর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রিপাবলিকানদের প্রস্তাবিত কঠোর ভোটার পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই আইন, যা “Save America Act” নামে পরিচিত
ট্রাম্পের ভোটার আইডি বিল ঘিরে অচলাবস্থা, কংগ্রেসে সমঝোতার চেষ্টা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump কংগ্রেসে চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার Mike Johnson–এর সঙ্গে বৈঠকে বসছেন। বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে রিপাবলিকানদের প্রস্তাবিত কঠোর ভোটার পরিচয় ও নাগরিকত্ব যাচাই আইন, যা “Save America Act” নামে পরিচিত।
আবাসন বিল স্থগিত, অগ্রাধিকার পেল ভোটার আইডি আইন
ট্রাম্প হঠাৎ করেই একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বিদলীয় আবাসন বিল স্বাক্ষরের পরিকল্পনা বাতিল করেন এবং এর পরিবর্তে সিনেটকে ভোটার আইডি সংক্রান্ত বিলটি পাস করার আহ্বান জানান। তাঁর দাবি, নির্বাচনে ভোট দিতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে ভোটার পরিচয়পত্র, নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ডাকযোগে ভোটের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকতে হবে।
সিনেটে বিল আটকে, রিপাবলিকানদের ভেতরেও মতবিরোধ
যদিও বিলটি প্রতিনিধি পরিষদে পাস হয়েছে, তবে সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের বিরোধিতার কারণে এটি ফিলিবাস্টার অতিক্রম করার মতো পর্যাপ্ত সমর্থন পায়নি। এ অবস্থায় স্পিকার মাইক জনসন একটি বিকল্প প্রস্তাব দেন—সমঝোতার মাধ্যমে বাজেট পুনর্মিলন (reconciliation) প্যাকেজে একটি অনুদান কর্মসূচি যুক্ত করে রাজ্যগুলোকে বিলের কিছু বিধান গ্রহণে উৎসাহিত করা।
কিন্তু রিপাবলিকান দলের রক্ষণশীল অংশ এই পরিকল্পায় সন্তুষ্ট নয়। Anna Paulina Luna প্রকাশ্যে বলেছেন, “Save America Act”–কে পুনর্মিলন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব নয় এবং তিনি এই আপসের পক্ষে নন।
একইভাবে Chip Roy মন্তব্য করেন, অনুদানভিত্তিক উৎসাহমূলক ব্যবস্থা মূল আইনের বিকল্প হতে পারে না। তাঁর ভাষায়, এতে রাজ্যগুলো চাইলে অংশ নেবে, না চাইলে নেবে না—ফলে এটি পূর্ণাঙ্গ ভোটার সংস্কার বাস্তবায়ন করবে না।
ট্রাম্পের অবস্থান: “কোনো আপস নয়”
ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে বলেন, “Save America Act”-এর ক্ষেত্রে তিনি কোনো আপস চান না। তাঁর মতে, ভোটার আইডি, নাগরিকত্বের প্রমাণ এবং ডাকযোগে ভোটের নিয়ম—সবই সম্পূর্ণভাবে কার্যকর করতে হবে।
কংগ্রেসে অচলাবস্থা আরও গভীর
ফ্লোরিডার কংগ্রেসওম্যান আনা পলিনা লুনার নেতৃত্বে একদল রিপাবলিকান ঘোষণা দিয়েছেন, সিনেটে বিলটির অগ্রগতি না হওয়া পর্যন্ত তারা প্রতিনিধি পরিষদের কার্যক্রম এগোতে দেবেন না। তাঁদের অভিযোগ, সিনেট নেতৃত্ব বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছে এবং নির্ধারিত বিরতিতে চলে যাচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে ট্রাম্প ও স্পিকার জনসনের বৈঠক কংগ্রেসের অচলাবস্থা ভাঙতে কতটা সফল হবে, তা এখন মার্কিন রাজনীতির অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে।