মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি ইরানের, ট্রাম্প প্রশাসনের অস্বীকার

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নতুন মোড় নিয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz ঘিরে। ব্রিটিশ দৈনিক The Guardian-এর এক লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান দাবি করেছে—প্রণালী অতিক্রমের সময় একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ তাদের হামলার মুখে পড়ে। তবে যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি অস্বীকার করেছে

PostImage

মার্কিন যুদ্ধজাহাজে হামলার দাবি ইরানের, ট্রাম্প প্রশাসনের অস্বীকার


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকট নতুন মোড় নিয়েছে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ Strait of Hormuz ঘিরে। ব্রিটিশ দৈনিক The Guardian-এর এক লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরান দাবি করেছে—প্রণালী অতিক্রমের সময় একটি মার্কিন যুদ্ধজাহাজ তাদের হামলার মুখে পড়ে। তবে যুক্তরাষ্ট্র তা সরাসরি অস্বীকার করেছে।

মার্কিন সামরিক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কোনো যুদ্ধজাহাজে হামলার ঘটনা ঘটেনি এবং তাদের নৌবাহিনী নিরাপদে অভিযান পরিচালনা করছে। অপরদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বলছে, তারা সতর্কবার্তা দিয়ে মার্কিন জাহাজকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে।

ঘটনাটি এমন এক সময় ঘটল, যখন যুক্তরাষ্ট্র প্রণালীতে আটকে পড়া বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে বিশেষ অভিযান শুরু করেছে। ওয়াশিংটনের এই উদ্যোগকে তেহরান উসকানিমূলক বলে উল্লেখ করে সতর্ক করেছে—তাদের জলসীমায় বিদেশি সামরিক উপস্থিতি সহ্য করা হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী এই বক্তব্য মূলত তথ্যযুদ্ধের অংশ। সরাসরি বড় ধরনের সংঘর্ষে না গিয়ে উভয় দেশ নিজেদের শক্তি প্রদর্শন এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন অর্জনের চেষ্টা করছে।

এদিকে, হরমুজ প্রণালীতে উত্তেজনার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে। আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়ছে এবং নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে অনেক জাহাজ চলাচল স্থগিত রেখেছে।

উল্লেখ্য, বিশ্বের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল এই প্রণালী দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এখানে যেকোনো সামরিক উত্তেজনা বৈশ্বিক অর্থনীতিতে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

বর্তমান পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সমাধানের সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে পড়েছে। মধ্যস্থতার উদ্যোগ থাকলেও এখনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই, ফলে অঞ্চলটিতে অনিশ্চয়তা আরও বাড়ছে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর