১৯৭৯ সালের পর ‘প্রজন্মগত মোড়’ — হোয়াইট হাউস
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট Donald Trump ২ মার্চ ২০২৬ তারিখে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে কঠোর অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ইরান যদি ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার পরিবর্তে অন্য কোথাও পারমাণবিক অবকাঠামো পুনর্গঠনের চেষ্টা করে, তবে তা মেনে নেওয়া হবে না। তিনি এই মুহূর্তকে ১৯৭৯ সালের পর থেকে “একটি প্রজন্মগত মোড় ঘোরানো সময়” হিসেবে আখ্যা দেন।
১৯৭৯ সালের পর ‘প্রজন্মগত মোড়’ — হোয়াইট হাউস
White House থেকে দেওয়া বক্তব্যে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আগেই ইরানকে সতর্ক করেছিল যেন তারা বিকল্প স্থানে পারমাণবিক স্থাপনা পুনর্নির্মাণের চেষ্টা না করে।
তিনি বলেন,
“আমরা ইরানকে সতর্ক করেছিলাম অন্য কোথাও পুনর্গঠনের চেষ্টা না করতে... কিন্তু তারা সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করেছে।”
ট্রাম্প আরও বলেন, দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত ইরানি শাসনব্যবস্থা শুধু মধ্যপ্রাচ্যের জন্যই নয়, বরং আমেরিকান জনগণের জন্যও “অসহনীয় হুমকি” হয়ে দাঁড়াবে।
“আমাদের দেশ নিজেও সরাসরি হুমকির মুখে পড়বে,” — তিনি মন্তব্য করেন।
একই দিনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী Pete Hegseth বলেন, ইরান একটি “দৃঢ়প্রতিজ্ঞ প্রতিপক্ষ”, তবে যুক্তরাষ্ট্র আরও শক্তিশালী এবং প্রস্তুত।
তিনি বলেন,
“আমরা একটি দৃঢ় শত্রুর মুখোমুখি, কিন্তু আপনারা আরও সক্ষম।”
বিশ্লেষকদের মতে, এই বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান আরও কঠোর হওয়ার ইঙ্গিত দেয়। কূটনৈতিক সমাধানের কথা বলা হলেও, সামরিক প্রস্তুতি ও প্রতিরোধমূলক অবস্থান জোরদার করার বার্তাও স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে।