শান্তিপূর্ণ নির্বাচন: জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
শান্তিপূর্ণ নির্বাচন: জাতির প্রতি প্রধান উপদেষ্টার কৃতজ্ঞতা
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন: জাতির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের
ঢাকা, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত গণভোট শান্তিপূর্ণ, সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হওয়ায় জাতির প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
ভোটগ্রহণ শেষে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ, রাজনৈতিক দলগুলোর দায়িত্বশীল আচরণ, প্রার্থীদের সংযম এবং নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পেশাদারিত্ব—এই সম্মিলিত প্রয়াস দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রাকে আরও সুদৃঢ় করেছে। জনগণ তাদের সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক দল, গণমাধ্যমকর্মী এবং ভোটগ্রহণে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিষ্ঠা ও পরিশ্রমের ফলেই এই বৃহৎ গণতান্ত্রিক আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার পরও যেন গণতান্ত্রিক শালীনতা, সহনশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় থাকে। “মতের ভিন্নতা থাকতেই পারে, তবে জাতীয় স্বার্থে আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে,”—বলেন তিনি।
ড. ইউনূস আরও বলেন, বাংলাদেশ আবারও প্রমাণ করেছে যে জনগণই সকল ক্ষমতার উৎস। একটি জবাবদিহিমূলক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। তার ভাষায়, এই নির্বাচন দেশের জন্য “মহা আনন্দের ও উৎসবের উপলক্ষ” এবং এর মধ্য দিয়ে “নতুন বাংলাদেশের এক অভূতপূর্ব যাত্রা” শুরু হয়েছে।
তিনি দাবি করেন, এবারের নির্বাচন দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর ছিল। এই ধারা অব্যাহত রাখা গেলে বাংলাদেশের গণতন্ত্র উৎকর্ষের শিখরে পৌঁছাবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
বিবৃতির শেষাংশে প্রধান উপদেষ্টা দেশের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আসুন, গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করার এই অভিযাত্রায় আমরা একসঙ্গে কাজ