স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সম্মানে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের দায়িত্বকালীন অসাধারণ নেতৃত্ব, কর্মদক্ষতা ও উন্নয়নমূলক অবদানের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানাতে আজ বাংলাদেশ সচিবালয়ে আয়োজিত হয় এক হৃদয়গ্রাহী বিদায়ী সংবর্ধনা। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপদেষ্টার দিকনির্দেশনা, সততা ও প্রভাবশালী প্রশাসনিক ভূমিকার প্রশংসা করেন বক্তারা। দেশের সেবায় তাঁর অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে উপস্থিত ছিলেন দুই মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও বিভিন্ন সংস্থার প্রধানগণ।
স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সম্মানে বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত
বাংলাদেশ সচিবালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে আজ স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের সম্মানে এক হৃদয়গ্রাহী বিদায়ী সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দায়িত্বকালীন তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্ব, কর্মদক্ষতা, প্রকল্প বাস্তবায়নে গতিশীলতা ও উন্নয়ন-অঙ্গীকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতেই এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব:
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ মাহবুব-উল-আলম। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো: রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, দুই মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার প্রধানগণ এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
“এটি বিদায় নয়, কৃতজ্ঞতার প্রকাশ”— স্থানীয় সরকার সচিব:
বক্তব্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব বলেন,
“আজকের এই আয়োজন মূলত বিদায়ের নয়, বরং কৃতজ্ঞতা প্রকাশের। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ যে দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, তা মন্ত্রণালয়ের কাজের গতি, স্বচ্ছতা ও মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।”
তিনি জানান, মাঠপর্যায়ে সেবা সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে প্রকল্প বাস্তবায়নে যে গতিশীলতা দেখা গেছে, তার বড় অংশই উপদেষ্টার নেতৃত্ব ও বিচক্ষণতার ফল।
“২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের মহানায়ক”— যুব ও ক্রীড়া সচিব:
সভাপতির বক্তব্যে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব বলেন,
“২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানের অন্যতম মহানায়ক আসিফ মাহমুদ শুধুই একজন উপদেষ্টা নন, তিনি অনুকরণীয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর ক্যারিশমাটিক নেতৃত্ব, দ্রুত সিদ্ধান্তগ্রহণ এবং ফটোজেনিক মেমোরি প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে কাজকে সহজ করেছে।”
তিনি উপদেষ্টাকে ভবিষ্যতে আরও বড় দায়িত্ব পালন করতে দেখার আশা ব্যক্ত করেন।
নিজের বক্তব্যে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ দুই মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন,
“আপনাদের নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও সহযোগিতা ছাড়া আমার কাজ কখনো এগোতে পারত না। দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমরা যে সক্ষমতা বৃদ্ধির চেষ্টা একসঙ্গে করেছি, তা ভবিষ্যতেও বজায় থাকবে—এই আমার প্রত্যাশা।”
তিনি আরও বলেন,“একটি সিদ্ধান্ত অসংখ্য মানুষের ভাগ্য নির্ধারণ করতে পারে। তাই সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করা প্রত্যেক সরকারি কর্মকর্তার নৈতিক দায়িত্ব।”
শেষে তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য, মঙ্গল এবং দেশের উন্নয়নযাত্রায় অব্যাহত অগ্রগতির কামনা করেন।
অনুষ্ঠানজুড়ে ছিল আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, সহমর্মিতা ও সম্মানের আবহ। সহকর্মীরা উপদেষ্টার সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা এবং তাঁর করা বিভিন্ন সংস্কার ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
বক্তারা বলেন, উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের অবদান ভবিষ্যৎেও মন্ত্রণালয়ের কাজকে অনুপ্রাণিত করবে।