হঠাৎ কেনো অগ্নিসন্ত্রাস! রাজধানীতে পাঁচটি গাড়িতে আগুন
রাজধানীতে হঠাৎ একের পর এক গাড়িতে আগুন। মিরপুর থেকে পোস্তগোলা—মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে পাঁচটি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে, কারা এর পেছনে এবং কেনই বা এমন সময়ে এই নাশকতা?
রাজধানীর মিরপুর, যাত্রাবাড়ী পোস্তগোলায় যাত্রীবাহী বাসসহ পাঁচটি গাড়িতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এর মধ্যে মিরপুর ১১ নম্বরে শিকড় পরিবহনের একটি বাস ও মিরপুর-১ এ অভিজাত পরিবহনের একটি বাসে আগুন ধরিয়ে লাগিয়েছে দুর্বৃত্তরা ।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এসব যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এর উপপুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার। এছাড়া পোস্তগোলা সেনাক্যাম্পের সামনে তিনটি গাড়িতে আগুন দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
গত শুক্রবার আকর্ষিক ২৩ জঙ্গি গ্রেপ্তারের মধ্যে দিয়ে জঙ্গিদের নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা দেয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। আবার কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ৭ নেতার ফাঁসির রায়, অন্যদিকে জমায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটও রাজপথের আন্দোলনসহ বিভিন্ন কৌশলে আগাচ্ছে। বিশ্লেষকরা মনে করছে, সরকারকে চাপে ফেলতে বা চাপে রাখতেই এ ধরনের নাশকতা করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে সন্দেহ থেকে বাদ না দিয়ে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধিসহ রাজধানীতেই প্রায় ২০০ স্পটে তল্লাশি বসিয়েছে। রাজধানীতে প্রবেশ পথেও কড়াকড়ি নজরদারি করছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।
হঠাৎ জঙ্গিদের তৎপরতা বৃদ্ধিতে নগরবাসী খুবই অঙ্কিত হয়ে পড়েছে। সন্ধ্যা হলে বাসা থেকে বের হওয়া বা অফিস ফেরৎ মানুষদের মাঝে আতঙ্ক লক্ষ্য করা যাচ্ছে। পুলিশের কড়া নজরদারির ভেতরও গতকাল শুক্রবার ও আজ শনিবার বেশ কয়েকটি যাত্রীবাহী গাড়ীতে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। অন্যদিকে গতকাল শুক্রবার যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনা ঘটেছে।
আজ ঢাকা টু রংপুর জামায়াতের নেতৃত্বে ১১ দলীয় জোটের লং মার্চে সমাবেশে জামায়াতের আমির বলেন, নব্য স্বৈরশাসক থেকে দেশকে বাঁচাতে এ আন্দোলনে নেমেছেন। তার এই বক্তব্যে ভিন্ন কিছু খুঁজছে অনেকে।




