দুই ভূমিকায় ইতিহাস গড়লেন ওতানি, ডজার্স আবারও বিশ্ব সিরিজে

শোহেই ওতানি ইতিহাস গড়লেন — ব্যাটে তিনটি হোম রান ও বল হাতে ১০ স্ট্রাইকআউট করে ডজার্সকে বিশ্ব সিরিজে তুললেন। ব্যাট-বলের এই অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সে তিনি বেসবলের ইতিহাসে নিজের নাম স্বর্ণাক্ষরে লিখলেন।

PostImage

দুই ভূমিকায় ইতিহাস গড়লেন ওতানি, ডজার্স আবারও বিশ্ব সিরিজে


লস অ্যাঞ্জেলেস — আবারও প্রমাণ করলেন কেন তাকেই বলা হয় “বেসবলের বিস্ময় বালক।” এনএলসিএস-এর চতুর্থ ম্যাচে শোহেই ওতানি একাই রূপকথা লিখলেন, যেখানে ব্যাট ও বল হাতে তার ঝলকানি লস অ্যাঞ্জেলেস ডজার্সকে ৫-১ ব্যবধানে মিলওয়াকি ব্রিউয়ার্সের বিপক্ষে জেতায় এবং দলকে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্ব সিরিজে পৌঁছে দেয়।

ওতানি এই ম্যাচে তিনটি একক হোম রান করেন — প্রথম, চতুর্থ ও সপ্তম ইনিংসে — যা মোট ১,৩৪২ ফুট দূরত্বে উড়ে যায়। একই সঙ্গে বল হাতে ৭ ইনিংসে মাত্র দুই হিট ও ১০ স্ট্রাইকআউট করেন কোনো রান না দিয়ে।

ডজার্স ম্যানেজার ডেভ রবার্টস ওতানির পারফরম্যান্সকে বলেন, “সম্ভবত ইতিহাসের সেরা পোস্টসিজন পারফরম্যান্স।” এই অনন্য কৃতিত্বের সুবাদে ওতানি জিতেছেন এনএলসিএস এমভিপি পুরস্কার।

নিজের এই ঐতিহাসিক রাতেও ওতানি কৃতিত্ব ভাগ করেছেন সতীর্থদের সঙ্গে। তিনি বলেন, “এই মৌসুমে যখন আমি ব্যর্থ হয়েছি, তখন টিও আর মুকি আমাকে সাহায্য করেছে। আজ ছিল আমার পালা।”

এই জয় দিয়ে ডজার্স চার ম্যাচেই ব্রিউয়ার্সকে হোয়াইটওয়াশ করে, যারা মৌসুমে সেরা দল ছিল। ওতানির দ্বিতীয় হোম রানটি ছিল ৪৬৯ ফুট দূরত্বে — যা ডজার্স স্টেডিয়ামের ছাদ পেরিয়ে যায়।

একই ম্যাচে তিনটি হোম রান ও ১০ স্ট্রাইকআউট করা খেলোয়াড় হিসেবে ওতানি ইতিহাসে এককভাবে জায়গা করে নিয়েছেন। ১৯৪২ সালের পর এই কৃতিত্ব আর কেউ অর্জন করতে পারেননি।

বিশ্ব সিরিজের আগে দল কিছুটা বিশ্রাম নেবে বলে জানান ওতানি। তিনি বলেন, “এই বিরতিটা আমাদের জন্য ভালো হবে, আমি ব্যাটসম্যান ও পিচার — দুই ভূমিকাতেই বিশ্রাম দরকার।”

নিজের এই অলৌকিক পারফরম্যান্সে ওতানি আবারও প্রমাণ করলেন, কেন তিনি বিশ্বের সেরা — এমন একজন খেলোয়াড় যিনি একাই খেলার সংজ্ঞা পাল্টে দিতে পারেন।