সরকারি অচলাবস্থা ঠেকাতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের পর কংগ্রেসে আপাতত স্বস্তি ফিরেছে নতুন করে

নির্বাচনের আগে সম্ভাব্য সরকারি অচলাবস্থা ঠেকাতে কংগ্রেসের অর্থায়ন বিলের পর ট্রাম্প স্বাক্ষর করেছেন, ফেডারেল সংস্থাগুলো আপাতত অর্থ পাবে নির্ধারিত সময়।

সরকারি অচলাবস্থা ঠেকাতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের পর কংগ্রেসে আপাতত স্বস্তি ফিরেছে নতুন করে

সরকারি অচলাবস্থা ঠেকাতে ট্রাম্পের স্বাক্ষরের পর কংগ্রেসে আপাতত স্বস্তি ফিরেছে নতুন করে


যুক্তরাষ্ট্রে সম্ভাব্য সরকারি অচলাবস্থার আশঙ্কা আপাতত দূর হয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এমন একটি অর্থায়ন বিলে স্বাক্ষর করেছেন, যার মাধ্যমে ফেডারেল সরকারের কার্যক্রম চালু রাখার ব্যবস্থা হয়েছে।


রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সরকার বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি এড়াতে কংগ্রেসে স্বল্পমেয়াদি অর্থায়ন ব্যবস্থা অনুমোদিত হয়। ট্রাম্প পরে এতে স্বাক্ষর করেন। 


সরকারি অচলাবস্থা হলে বিভিন্ন ফেডারেল সংস্থার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হতে পারত। সরকারি কর্মীদের একটি অংশ বেতন ছাড়া কাজ করতে বাধ্য হতে পারতেন, আবার কিছু সেবা সাময়িকভাবে বন্ধ বা ধীর হয়ে যেতে পারত।

নির্বাচনের আগে এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে রাজনৈতিকভাবে দুই দলের ওপরই চাপ তৈরি হতো। বিশেষ করে অভিবাসন, নিরাপত্তা, স্বাস্থ্যসেবা এবং অর্থনৈতিক কর্মসূচির মতো গুরুত্বপূর্ণ খাত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকত।নতুন অর্থায়ন ব্যবস্থা আপাতত সেই ঝুঁকি কমিয়েছে। তবে এটি দীর্ঘমেয়াদি বাজেট সমস্যার সমাধান নয়। কংগ্রেসকে পরবর্তী সময়ে আরও স্থায়ী অর্থায়ন আইন নিয়ে আলোচনা করতে হবে।


যুক্তরাষ্ট্রে বাজেট নিয়ে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে মতপার্থক্য রয়েছে। প্রতিরক্ষা ব্যয়, স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন এবং সরকারি কর্মসূচির ব্যয় নিয়ে দুই দলের অবস্থান আলাদা।


ট্রাম্প প্রশাসন সরকারি ব্যয় কমানোর কথা বললেও ইরান যুদ্ধের কারণে সামরিক ব্যয় বাড়ছে। একই সঙ্গে জাতীয় ঋণও ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার অতিক্রম করেছে। ফলে বর্তমান অর্থায়ন বিল সাময়িক স্বস্তি দিলেও যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি বাজেট ঘাটতি ও ঋণ সমস্যা থেকে যাচ্ছে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর