নতুন চার বছরের ভিসা নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে
১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর নতুন নিয়মে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের অবস্থান চার বছরেই সীমিত হতে পারে, বাড়ছে শিক্ষা ব্যয়ের চাপ ও অনিশ্চয়তা।
নতুন চার বছরের ভিসা নিয়মে যুক্তরাষ্ট্রে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়ছে
যুক্তরাষ্ট্রে পড়তে যাওয়া আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন ভিসা নিয়ম নিয়ে শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে বিদেশি শিক্ষার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের মেয়াদ আগের মতো অনির্দিষ্টকাল তাদের শিক্ষার্থী অবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকবে না। বরং নির্দিষ্ট কোর্স বা কর্মসূচির মেয়াদ অথবা চার বছর—যেটি আগে শেষ হবে—তার ভিত্তিতে অবস্থান নির্ধারিত হতে পারে।
এর ফলে চার বছরের বেশি সময় প্রয়োজন এমন কিছু শিক্ষার্থীকে অতিরিক্ত সময়ের জন্য অনুমতি চাইতে হতে পারে। বিশেষ করে পিএইচডি, গবেষণা, দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা বা পরিবর্তিত একাডেমিক পরিকল্পনার ক্ষেত্রে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।
বস্টনের একটি ফেডারেল আদালতে নতুন নিয়ম নিয়ে শুনানিতে বিচারক প্রশাসনের জাতীয় নিরাপত্তা-সংক্রান্ত যুক্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য নিয়মটির বাস্তব প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিপুলসংখ্যক বিদেশি শিক্ষার্থী পড়াশোনা করেন। তারা উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা, প্রযুক্তি, চিকিৎসা ও বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
নতুন নিয়মে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পাশাপাশি অভিবাসনসংক্রান্ত সময়সীমাও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি না পেলে বৈধ অবস্থান বজায় রাখা কঠিন হতে পারে।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। যারা যুক্তরাষ্ট্রে স্নাতক, স্নাতকোত্তর বা গবেষণার পরিকল্পনা করছেন, তাদের ভর্তি পরিকল্পনার পাশাপাশি নতুন ভিসা নিয়ম, অবস্থানের মেয়াদ এবং প্রয়োজনীয় অনুমতির বিষয়গুলো আগে থেকেই যাচাই করা জরুরি।