মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন যুক্তরাষ্ট্রের, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন যুক্তরাষ্ট্রের, নতুন সরকার ও রাষ্ট্রপতির সঙ্গে অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার আগ্রহ প্রকাশ মার্কিন দূতাবাসের।
মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন যুক্তরাষ্ট্রের, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে নতুন রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করে দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা জানিয়েছে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস।
শনিবার (২২ আগস্ট) ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পেজে প্রকাশিত এক বার্তায় এ অভিনন্দন জানানো হয়। দূতাবাসের বার্তায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
মার্কিন দূতাবাস বলেছে, রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও সুদৃঢ় করতে যুক্তরাষ্ট্র আগ্রহী। এ বার্তায় বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান সম্পর্ক ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশাও স্পষ্ট হয়েছে।
মার্কিন দূতাবাসের প্রকাশিত পোস্টের সঙ্গে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের একটি পুরোনো ছবিও প্রকাশ করা হয়।
এর আগে ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ওলি আহমেদ পান ৮৮ ভোট। ১৯৯১ সালের পর এটিই ছিল একাধিক প্রার্থীর অংশগ্রহণে বাংলাদেশের প্রথম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
নির্বাচিত হওয়ার পর শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনের দরবার হলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। ভারপ্রাপ্ত স্পিকার কায়সার কামাল তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিচারপতি এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। রাষ্ট্রপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে।
মির্জা ফখরুলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর বিভিন্ন দেশ ও বিদেশি প্রতিনিধির পক্ষ থেকেও অভিনন্দন জানানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি যুক্তরাজ্যও বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কাজ করে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারত্ব আরও গভীর করার আগ্রহ জানিয়েছে।
ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সর্বশেষ অভিনন্দন বার্তায় কোনো নির্দিষ্ট নতুন চুক্তি বা উদ্যোগের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে নতুন রাষ্ট্রপতি ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা জানানো হয়েছে—যা ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার মার্কিন আগ্রহের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।