২০ জন বহিষ্কৃত অভিবাসীকে লাইবেরিয়ায় পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ; নতুন চুক্তিতে দেশটি মোট ১,২০০ অভিবাসী গ্রহণ করবে
যুক্তরাষ্ট্র ২০ জন বহিষ্কৃত অভিবাসীকে লাইবেরিয়ায় পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা দেশটিতে পৌঁছেছে। নতুন একটি চুক্তির আওতায় লাইবেরিয়া যে ১,২০০ জন অভিবাসী গ্রহণ করবে, এই ২০ জন তারই অংশ
২০ জন বহিষ্কৃত অভিবাসীকে লাইবেরিয়ায় পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ; নতুন চুক্তিতে দেশটি মোট ১,২০০ অভিবাসী গ্রহণ করবে
যুক্তরাষ্ট্র ২০ জন বহিষ্কৃত অভিবাসীকে লাইবেরিয়ায় পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার তারা দেশটিতে পৌঁছেছে। নতুন একটি চুক্তির আওতায় লাইবেরিয়া যে ১,২০০ জন অভিবাসী গ্রহণ করবে, এই ২০ জন তারই অংশ।
বহিষ্কৃতদের বহনকারী দলটি রাজধানী মনরোভিয়ার বাইরে অবস্থিত রবার্টস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। লাইবেরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের এই চুক্তিটি ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসনবিরোধী কঠোর অভিযানের আওতায় তৃতীয় কোনো দেশে অভিবাসীদের পাঠানোর অন্যতম বৃহৎ উদ্যোগ।
লাইবেরিয়ার তথ্য ও সংস্কৃতিমন্ত্রী জেরোলিনমেক পিয়াহ জানিয়েছেন, ১,২০০ জন বহিষ্কৃতের মধ্যে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের পাশাপাশি উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের নাগরিকরাও থাকবেন।
মঙ্গলবার এক ব্রিফিংয়ে লাইবেরিয়ার বিচারমন্ত্রী নাতু অসওয়াল্ড টুয়ে বলেন, বহিষ্কৃতদের অধিকাংশই অভিবাসনসংক্রান্ত আইন লঙ্ঘন বা অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে তারা চাইলে লাইবেরিয়ায় আশ্রয়ের জন্য আবেদন করতে পারবেন।
ট্রাম্প প্রশাসন বিভিন্ন দেশের সঙ্গে করা একাধিক, অনেক ক্ষেত্রে গোপন, চুক্তির আওতায় ইতোমধ্যে হাজার হাজার মানুষকে তাদের নিজ দেশের পরিবর্তে প্রায় দুই ডজন দেশে পাঠিয়েছে বলে অভিবাসন অধিকারকর্মীরা জানিয়েছেন। এসব দেশের মধ্যে আফ্রিকার প্রায় ১০টি দেশ রয়েছে।
অভিবাসন আইনজীবীরা অভিযোগ করেছেন, তৃতীয় দেশে বহিষ্কারের এই ব্যবস্থা ট্রাম্প প্রশাসন একটি আইনি ফাঁকফোকর হিসেবে ব্যবহার করছে। এর মাধ্যমে আশ্রয়প্রার্থীদের পরোক্ষভাবে আবার তাদের নিজ দেশে ফিরে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে।
অনেক ক্ষেত্রে অভিবাসীদের এমন দেশে পাঠানো হচ্ছে, যেখানে তারা কখনো বসবাস করেননি কিংবা যেখানে তাদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। ফলে তারা যে দেশ থেকে পালিয়ে এসেছিলেন, শেষ পর্যন্ত সেখানে ফিরে যাওয়া ছাড়া তাদের সামনে খুব বেশি বিকল্প থাকে না।
সূত্র: অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (AP)