পদত্যাগ করবেন না স্টারমার্ক! স্পষ্ট বার্তা, চাপ বাড়ছে লেবার সরকারের

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী Keir Starmer স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি পদত্যাগ করছেন না। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত লেবার পার্টির নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ করার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়নি এবং তিনি “সরকার পরিচালনার কাজ চালিয়ে যেতে চান”

PostImage

পদত্যাগ করবেন না স্টারমার্ক! স্পষ্ট বার্তা, চাপ বাড়ছে লেবার সরকারের


যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী Keir Starmer স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি পদত্যাগ করছেন না। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত লেবার পার্টির নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ করার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়নি এবং তিনি “সরকার পরিচালনার কাজ চালিয়ে যেতে চান”।

স্টারমার বলেন, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতা দেশের অর্থনীতি ও সাধারণ পরিবারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। তাই সরকারের মূল দায়িত্ব হওয়া উচিত দেশের কাজ এগিয়ে নেওয়া।

তবে পরিস্থিতি এখনও উত্তপ্ত। লেবার পার্টির ভেতরে স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়ে অসন্তোষ বাড়ছে এবং একাধিক এমপি প্রকাশ্যে তার পদত্যাগ দাবি করেছেন। দলীয় সূত্র অনুযায়ী, অন্তত ৮১ জন লেবার এমপি নেতৃত্ব পরিবর্তনের পক্ষে মত দিয়েছেন। যদিও লেবার পার্টির নিয়ম অনুযায়ী শুধু এই সংখ্যা যথেষ্ট নয়; আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব প্রতিযোগিতা শুরু করতে একজন নির্দিষ্ট প্রার্থীকে সেই সমর্থন একত্র করতে হবে।

সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী Wes Streeting। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, স্টারমারের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার মতো প্রভাব ও সমর্থন তারই সবচেয়ে বেশি। যদিও তিনি এখনো সরাসরি চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করেননি।

এদিকে লেবারের বামপন্থী নেতা John McDonnell অভিযোগ করেছেন, স্ট্রিটিংয়ের ঘনিষ্ঠরা স্টারমারের বিরুদ্ধে “অভ্যুত্থান” চালানোর চেষ্টা করছেন।

সংকট আরও গভীর হয় যখন মন্ত্রী Miatta Fahnbulleh পদত্যাগ করে প্রকাশ্যে স্টারমারের সরে দাঁড়ানোর দাবি জানান। তিনিই প্রথম মন্ত্রী যিনি সরাসরি এই দাবি তুললেন।

অন্যদিকে বেশ কয়েকজন সিনিয়র মন্ত্রী স্টারমারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ব্যবসামন্ত্রী Peter Kyle, আবাসনমন্ত্রী Steve Reed এবং প্রযুক্তিমন্ত্রী Liz Kendall প্রকাশ্যে বলেছেন, নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু না হওয়া পর্যন্ত সরকার কাজ চালিয়ে যাবে।

রাজনৈতিক সম্পাদকদের বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, স্টারমার আপাতত টিকে গেলেও তার অবস্থান আগের চেয়ে দুর্বল। বিশেষ করে সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলাফল, কমে যাওয়া জনপ্রিয়তা এবং দলের অভ্যন্তরীণ বিভাজন তাকে চাপে ফেলেছে।

এখন নজর থাকবে, Wes Streeting বা অন্য কোনো জ্যেষ্ঠ নেতা আনুষ্ঠানিকভাবে নেতৃত্ব চ্যালেঞ্জ করেন কি না। কারণ সেটিই নির্ধারণ করবে স্টারমারের রাজনৈতিক 

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর