প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফেন্টানিলকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ঘোষণা করেছেন
ওপিওয়েড সংকট মোকাবিলায় এক নাটকীয় পদক্ষেপ হিসেবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে ফেন্টানিলকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি এই মারাত্মক মাদককে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সরাসরি হুমকি হিসেবে আখ্যা দেন। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো মাদক কার্টেল ও বিদেশি পাচারকারী নেটওয়ার্কগুলোর বিরুদ্ধে আরও কঠোর ও বিস্তৃত ক্ষমতা প্রয়োগ করা, যারা আমেরিকার বিভিন্ন কমিউনিটিতে প্রাণঘাতী এই সংকট ছড়িয়ে দিচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ফেন্টানিলকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র ঘোষণা করেছেন
এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপের মাধ্যমে কার্টেল ও বিদেশি নেটওয়ার্কগুলোর বিরুদ্ধে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের পথ খুলে যাবে, যারা এই মারাত্মক মাদক দিয়ে বিভিন্ন কমিউনিটিকে প্লাবিত করছে—যা বর্তমানে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সী আমেরিকানদের মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ।
সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বক্তব্যে এই ঘোষণা দেন, যেখানে তিনি ফেন্টানিলকে শুধুমাত্র একটি জনস্বাস্থ্য সংকট নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর হুমকি হিসেবে বর্ণনা করেন। ট্রাম্পের মতে, ফেন্টানিলকে গণবিধ্বংসী অস্ত্র হিসেবে ঘোষণা করলে সন্ত্রাসবিরোধী ও জাতীয় প্রতিরক্ষা আইনের আওতায় থাকা বিস্তৃত ক্ষমতা ব্যবহার করা যাবে—যার মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার, আর্থিক নিষেধাজ্ঞা এবং আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগমূলক পদক্ষেপ।
ট্রাম্প অভিযোগ করেন যে আন্তর্জাতিক মাদক কার্টেল ও বিদেশভিত্তিক রাসায়নিক সরবরাহকারীরা ইচ্ছাকৃতভাবে যুক্তরাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে ফেন্টানিল ও এর উপাদান পাচার করছে। তিনি বলেন, এই ঘোষণা অপরাধী নেটওয়ার্কগুলো ভেঙে ফেলা, তাদের অর্থায়নের উৎস বন্ধ করা এবং জড়িত দেশি-বিদেশি শক্তিগুলোকে জবাবদিহির আওতায় আনার প্রচেষ্টা জোরদার করবে।
জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, সারা দেশে অতিরিক্ত মাত্রায় মাদক সেবনের মৃত্যুর পেছনে ফেন্টানিল একটি প্রধান কারণ, বিশেষ করে ১৮ থেকে ৪৫ বছর বয়সীদের মধ্যে। ট্রাম্প বলেন, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হলো আমেরিকান কমিউনিটিকে রক্ষা করা, অতিরিক্ত মৃত্যুর হার কমানো এবং ফেন্টানিল পাচারকে জনগণের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষতির কাজ হিসেবে বিবেচনা করা।