সরাসরি মানচিত্র, পূর্বাভাস ও জরিপের গড়: PoliAgg (CC BY-SA 4.0)

পূর্ণ ফলাফল, মানচিত্র ও জরিপ
ব্রেকিং
শিশুদের সঙ্গে ফুটবল খেলায় মামদানি, নেতৃত্বের মানবিক দৃষ্টান্ত গড়ছেন নিউইয়র্কের মেয়রশেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের দাবিতে নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে প্রবাসী আওয়ামী লীগের সমাবেশরাতভর ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে কাঁপল ইউক্রেন, নিহত ৪জন আহত বহু মানুষমার্কিন অবরোধে ইরানের তেলের ভাসমান মজুত নিঃশেষ, চরম অর্থনৈতিক সংকটের মুখে তেহরানযুক্তরাষ্ট্রে ভুয়া জরিপের অজুহাতে সংবাদমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের বিতর্কে আইনি ক্ষমতার সীমা নিয়ে নতুন প্রশ্ন

অংশ: যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ২০২৬

মিশিগানে ওকাসিও-কর্টেজ, রাজনীতিতে টাকার প্রভাব কমাতে জোরালো প্রচার

মিশিগানে প্রগতিশীল আন্দোলন জোরদারে মাঠে নেমেছেন আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ। রাজনৈতিক অর্থের প্রভাব কমানো, মানুষের পকেটে অর্থ রাখা ও সবার স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করাই তাঁদের লক্ষ্য।

মিশিগানে ওকাসিও-কর্টেজ, রাজনীতিতে টাকার প্রভাব কমাতে জোরালো প্রচার
মিশিগানে ওকাসিও-কর্টেজ, রাজনীতিতে টাকার প্রভাব কমাতে জোরালো প্রচার

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক সংকট, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় এবং বড় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন কংগ্রেস সদস্য আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজ। মিশিগান অঙ্গরাজ্যে তাঁর সাম্প্রতিক প্রচার কার্যক্রমকে ঘিরে প্রগতিশীল রাজনৈতিক শক্তির মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক অর্থায়নে স্বচ্ছতা, সাধারণ পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলোকে সামনে রেখে তিনি ও তাঁর সমমনা নেতারা সমর্থন বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।
নিউইয়র্কের প্রতিনিধি হিসেবে কংগ্রেসে দায়িত্ব পালন করা ওকাসিও-কর্টেজ ২০১৮ সালে নির্বাচনে জয়ী হয়ে জাতীয় রাজনীতিতে ব্যাপক পরিচিতি পান। তৎকালীন প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে তাঁর নির্বাচনী সাফল্য প্রগতিশীল রাজনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রচলিত রাজনৈতিক অর্থায়নের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে সাধারণ মানুষের ছোট অনুদান ও স্বেচ্ছাসেবকদের অংশগ্রহণের ওপর জোর দেওয়া ছিল তাঁর নির্বাচনী কৌশলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। পরবর্তী সময়ে তিনি স্বাস্থ্যসেবা, শ্রমিকের অধিকার, আবাসন, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক বৈষম্য নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য দিয়েছেন।
মিশিগানে তাঁর সাম্প্রতিক তৎপরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ডেমোক্র্যাটিক দলের সিনেট প্রার্থী আবদুল এল-সায়েদের নির্বাচনী প্রচার। সাবেক জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা এল-সায়েদ স্বাস্থ্যসেবা সহজলভ্য করা, জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং বড় অর্থনৈতিক স্বার্থগোষ্ঠীর রাজনৈতিক প্রভাব মোকাবিলার প্রতিশ্রুতি নিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন। ওকাসিও-কর্টেজ তাঁর প্রচারে যোগ দিয়ে এই কর্মসূচিকে জাতীয় পর্যায়ের প্রগতিশীল আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করছেন।

১৬ অক্টোবর প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, মিশিগানের উচ্চ উপদ্বীপ অঞ্চলে এল-সায়েদের সঙ্গে প্রচার সফরে অংশ নেন ওকাসিও-কর্টেজ। এসকানাবা, আয়রন মাউন্টেন ও মারকেট শহরে তাঁদের কর্মসূচি ছিল। এসকানাবার এক সমাবেশে প্রায় পাঁচ শ মানুষ উপস্থিত ছিলেন বলে মিশিগান পাবলিক রেডিও নেটওয়ার্কের প্রতিবেদনে জানানো হয়। মারকেটের নর্দার্ন মিশিগান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যানডামেন্ট অঙ্গনেও এক হাজার দুই শ জনের বেশি মানুষের উপস্থিতির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সমাবেশে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগ, স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় এবং রাজনৈতিক দুর্নীতির অভিযোগ আলোচনায় আসে।

এই প্রচারের পেছনে মিশিগানের রাজনৈতিক গুরুত্বও রয়েছে। অঙ্গরাজ্যটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। শিল্পাঞ্চল, শ্রমিক সম্প্রদায়, গ্রামীণ এলাকা এবং বড় শহরের ভোটারদের সমর্থন এখানে নির্বাচনের ফল নির্ধারণে ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে শুধু ডেমোক্র্যাটদের প্রচলিত সমর্থকদের কাছে পৌঁছানো নয়, বরং স্বাধীন ভোটার ও ভিন্ন রাজনৈতিক মতের মানুষের কাছেও নিজেদের বার্তা পৌঁছে দেওয়া এল-সায়েদের প্রচারের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

ওকাসিও-কর্টেজের বক্তব্যে বড় ওষুধ কোম্পানি এবং রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে অর্থের প্রভাবের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর যুক্তি হলো, মানুষের স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনকে কেন্দ্র করে নীতি নির্ধারণ করা উচিত, কোনো প্রতিষ্ঠানের মুনাফাকে কেন্দ্র করে নয়। এল-সায়েদের প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী মাইক রজার্সের সঙ্গে ওষুধশিল্পের সম্পর্ক নিয়েও তিনি সমালোচনা করেছেন। তবে এ ধরনের রাজনৈতিক অভিযোগ মূল্যায়নের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর বক্তব্য, আর্থিক নথি এবং স্বাধীনভাবে যাচাই করা তথ্য বিবেচনা করা জরুরি। কোনো প্রার্থীর সঙ্গে শিল্পখাতের সম্পর্ক থাকার অর্থ নিজে থেকেই অনিয়ম প্রমাণিত হওয়া নয়।
রাজনীতিতে অর্থের প্রভাব কমানোর দাবি শুধু ওকাসিও-কর্টেজ বা এল-সায়েদের নির্বাচনী বক্তব্যে সীমাবদ্ধ নয়। মিশিগানে এ বিষয়ে আলাদা নাগরিক উদ্যোগও রয়েছে। ‘মিশিগ্যান্ডার্স ফর মানি আউট অব পলিটিকস’ নামে পরিচিত একটি জোট অঙ্গরাজ্যের নির্বাচনে বড় অর্থের প্রভাব সীমিত করার পক্ষে কাজ করছে। তাদের প্রস্তাবের মধ্যে সরকারি চুক্তির সঙ্গে যুক্ত নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও নিয়ন্ত্রিত পরিষেবা খাতের কিছু রাজনৈতিক অনুদান সীমিত করা এবং নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের অর্থায়ন সম্পর্কে তথ্য প্রকাশের নিয়ম শক্তিশালী করার বিষয় রয়েছে।
২০২৬ সালের ২৪ জুলাই মিশিগানের নির্বাচনসংক্রান্ত বোর্ড এই উদ্যোগের পক্ষে জমা দেওয়া স্বাক্ষর যাচাই করে প্রস্তাবটিকে পরবর্তী পর্যায়ে এগিয়ে যাওয়ার অনুমতি দেয়। ভোটারদের স্বাক্ষর নিয়ে দীর্ঘ আপত্তি ও যাচাইয়ের পর বোর্ড তিন-এক ভোটে সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করে বলে মিশিগান পাবলিকের প্রতিবেদনে জানানো হয়। এই ঘটনা দেখায়, নির্বাচনে অর্থের প্রভাব নিয়ে উদ্বেগ অঙ্গরাজ্যটিতে বৃহত্তর নাগরিক আলোচনার অংশ হয়ে উঠেছে। তবে কোনো উদ্যোগের পক্ষে স্বাক্ষর গ্রহণ বা প্রস্তাব এগিয়ে যাওয়ার অনুমতি পাওয়া মানেই সংশ্লিষ্ট সব বিধান আইনে পরিণত হয়েছে—এমন নয়।
ওকাসিও-কর্টেজের রাজনৈতিক অবস্থানের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা। তাঁর মতে, চিকিৎসার সুযোগ মানুষের আয় কিংবা চাকরির ওপর নির্ভর করা উচিত নয়। যুক্তরাষ্ট্রে অনেক কর্মী চাকরির সঙ্গে যুক্ত স্বাস্থ্যবিমার ওপর নির্ভর করেন। চাকরি হারালে বা নিয়োগকর্তার বিমা না থাকলে চিকিৎসার ব্যয় তাঁদের পরিবারের জন্য বড় বোঝা হয়ে দাঁড়াতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ, ওষুধ, পরীক্ষা এবং হাসপাতালে ভর্তির খরচ সামলাতে গিয়ে বহু পরিবার অন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় কমাতে বাধ্য হয়।
এই পরিস্থিতির সমাধান হিসেবে ওকাসিও-কর্টেজ সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর সমর্থিত পরিকল্পনায় সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা এবং ব্যক্তিগত ব্যয়ের বোঝা কমানোর কথা বলা হয়েছে। তবে এ ধরনের ব্যবস্থার বাস্তবায়নে অর্থায়ন, করব্যবস্থা, চিকিৎসক ও হাসপাতালের পারিশ্রমিক, ওষুধের মূল্য এবং বিদ্যমান স্বাস্থ্যবিমা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত প্রয়োজন। সমর্থকেরা মনে করেন, সরকারি ব্যবস্থার মাধ্যমে সেবা সম্প্রসারণ করলে চিকিৎসার সুযোগ আরও সমান হতে পারে। অন্যদিকে সমালোচকেরা ব্যয়, কর এবং বাস্তবায়নের জটিলতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
ওকাসিও-কর্টেজের সরকারি সংসদীয় ওয়েবসাইটে স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত প্রস্তাব এবং ওষুধের ব্যয় কমানোর উদ্যোগের পক্ষে তাঁর অবস্থানের বিবরণ রয়েছে। তিনি ২০২১ সালের সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা আইনপ্রস্তাবের সমর্থক। তবে প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেওয়া এবং সেটি জাতীয় পর্যায়ে কার্যকর হওয়া এক বিষয় নয়। তাই মিশিগানের নির্বাচনী প্রচারে এই প্রতিশ্রুতির উল্লেখকে ভবিষ্যৎ নীতিগত লক্ষ্য হিসেবে দেখা উচিত, ইতিমধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা চালু হওয়ার প্রমাণ হিসেবে নয়।
মানুষের পকেটে অর্থ রাখার স্লোগানটিও এই প্রচারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। বাড়িভাড়া, খাদ্যপণ্য, জ্বালানি, বিদ্যুৎ, পরিবহন এবং চিকিৎসার ব্যয় সাধারণ পরিবারের বাজেটে চাপ সৃষ্টি করে। এল-সায়েদের প্রচার এসব দৈনন্দিন সমস্যা সামনে আনার চেষ্টা করছে। তাঁর সমর্থকদের যুক্তি, মানুষের আয় বাড়ানো এবং প্রয়োজনীয় সেবার খরচ কমানো গেলে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা শক্তিশালী হবে। তবে কোন নীতিতে কত অর্থ সাশ্রয় হবে, কত পরিবার সরাসরি উপকৃত হবে এবং সেই ব্যয়ের অর্থ কোথা থেকে আসবে—এসব প্রশ্নের উত্তর নির্ভর করবে বিস্তারিত পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের ওপর।
১৬ অক্টোবরের রাজনৈতিক কর্মসূচির পাশাপাশি এল-সায়েদের নির্বাচনী প্রচারে ওকাসিও-কর্টেজের আর্থিক সহায়তার খবরও গুরুত্ব পেয়েছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তিনি এল-সায়েদের পক্ষে এক মিলিয়ন ডলার সহায়তা দেওয়ার কথা জানান। এ পদক্ষেপকে প্রগতিশীল শিবিরের নির্বাচনী সমর্থন জোরদারের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক প্রশ্নও সামনে আনে: বড় অর্থের প্রভাব কমানোর কথা বলা নেতারা নির্বাচনী প্রচারে অর্থ ব্যবহার করছেন কীভাবে, এবং সেই অর্থের উৎস ও ব্যয়ের স্বচ্ছতা কতটা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে প্রচার তহবিলের নিয়ম, প্রকাশিত আর্থিক বিবরণ এবং প্রযোজ্য নির্বাচনী আইনই যথাযথ মূল্যায়নের ভিত্তি।

মিশিগানের এই প্রচার তাই একদিকে একটি নির্দিষ্ট সিনেট আসনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রগতিশীল রাজনীতির ভবিষ্যৎ নিয়ে বৃহত্তর পরীক্ষাও। ওকাসিও-কর্টেজের মতো জাতীয় পরিচিতিসম্পন্ন নেতার অংশগ্রহণ প্রার্থীর বার্তা আরও বেশি মানুষের কাছে পৌঁছাতে সাহায্য করতে পারে। তবে সমাবেশে মানুষের উপস্থিতি বা পরিচিত নেতার সমর্থন একাই নির্বাচনে জয়ের নিশ্চয়তা দেয় না। ভোটারদের কাছে অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বিশ্বাসযোগ্যতা, প্রার্থীর যোগ্যতা, স্থানীয় সমস্যার সমাধান এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রচারের প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ।

সামগ্রিকভাবে, মিশিগানে ওকাসিও-কর্টেজের সাম্প্রতিক ভূমিকা তিনটি বিষয়কে সামনে এনেছে—রাজনীতিতে বড় অর্থের প্রভাব নিয়ন্ত্রণ, সাধারণ পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো এবং সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ নিশ্চিত করা। এসব লক্ষ্য নিয়ে তাঁর অবস্থান ও সাম্প্রতিক প্রচার-অংশগ্রহণের পক্ষে নির্ভরযোগ্য সংবাদ ও সরকারি সূত্র রয়েছে। তবে প্রতিশ্রুতিগুলোর বাস্তব ফল নির্ভর করবে নির্বাচনী ফলাফল, আইন প্রণয়ন, অর্থায়ন এবং ভবিষ্যৎ নীতিগত সিদ্ধান্তের ওপর। তাই এই প্রচারকে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে অর্থনৈতিক ন্যায্যতা নিয়ে চলমান বিতর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে দেখা যায়, চূড়ান্ত সাফল্যের প্রমাণ হিসেবে নয়।


ট্যাগ: আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-কর্টেজমিশিগান নির্বাচনআবদুল এল-সায়েদযুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিরাজনৈতিক অর্থায়নসর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবাঅর্থনৈতিক বৈষম্যডেমোক্র্যাটিক দলনির্বাচনী প্রচারসাধারণ মানুষের অধিকার

প্রতিবেদক

Mukti Dipita

INTERNATIONAL BROADCAST JOURNALIST

ফটোকার্ড তৈরি হচ্ছে…

সিএসবি নিউজ ইউএসএ ফলো করুন

প্রতিদিন সকালে প্রধান সংবাদ, আর ব্রেকিং নিউজ ঘটার সাথে সাথে। বিনামূল্যে।