গাজায় ‘গণহত্যা’র অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি তুরস্কের
তুরস্কের ইস্তাম্বুল্ মহানগর প্রসিকিউটরের দফতর ইস্রায়েলের প্রধানমন্ত্রী এবং ৩৬ জন সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। অভিযোগ — গাজায় “সিস্টেম্যাটিক” হামলা, নাগরিকদের হত্যা, সাহায্য ক্যারাভান বাধা ও হাসপাতাল ধ্বংসের মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ। ইস্রায়েল এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক বলিষ্ঠতা বলে উড়িয়ে দিয়েছে।
গাজায় ‘গণহত্যা’র অভিযোগে নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি তুরস্কের
তুরস্ক এক বিরল আইনগত সিদ্ধান্ত নিয়ে গেল — প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ৩৬ জন উচচ ইস্রায়েলি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে, অভিযোগের মধ্যে রয়েছে গণহত্যা এবং মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ।
গ্রেফতারি পরোয়ানায় যুক্ত করা হয়েছে ইস্রায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়িসরায়েল কাট্স, জাতীয় নিরাপত্তার মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির এবং সেনাবাহিনী প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল ইয়াল জামিরসহ অনেক নাম।
তুরস্কের প্রসিকিউটরদের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গাজায় এসব কর্মকাণ্ড “সিস্টেম্যাটিক” ছিল — নারী, শিশু সহ বহু নির্মোহ নাসিকনাগরিকরা নিহত হয়েছেন; গৃহহারা হয়েছেন; হাসপাতাল ও সহায়তা স্টেশন ধ্বংস করা হয়েছে; খাবার ও ওষুধসহ মানবিক সহায়তা বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
তুরস্ক আইন অনুসারে এমন অপরাধের জন্য বিচার-অধিকার প্রয়োগ করতে পারে, এমনকি অভিযুক্তরা দেশেই না থাকলেও। বর্তমান অবস্থায় অভিযুক্তরা তুরস্কে নেই, তাই এর সবগুলো গ্রেফতারি পরোয়ানা “অনুপস্থিতিতে” জারি হয়েছে।
ইস্রায়েল এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক বল বলেই দেখেছে। তার বিদেশমন্ত্রী গিদিয়ন সার এক পোস্টে বলছেন, এটি “সরল জনপ্রিয়তা অর্জনের কৌশল” মাত্র।
এই পরোয়ানা ইস্রায়েল-তুরস্ক সম্পর্ককে আরও কঠিন করে তুলতে পারে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ইস্রায়েলি নেতাদের ভ্রমণ ও কূটনৈতিক নিরাপত্তার সুযোগ সীমিত করতে পারে।