ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে রায়ের পর বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ বার্নহ্যামের
ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের রায়ের পর ক্লাবের মালিকরা সরে গেলে ম্যানচেস্টারে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এন্ডি বার্নহ্যাম।
ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে রায়ের পর বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগ বার্নহ্যামের
ম্যানচেস্টার সিটির মালিকরা ক্লাবটি বিক্রি করে দিলে ম্যানচেস্টারে বিনিয়োগের ওপর প্রভাব পড়তে পারে—এমন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র এন্ডি বার্নহ্যাম। বুধবার বিবিসিকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, সিটির মালিকদের হারানো নিয়ে তিনি “খুবই উদ্বিগ্ন” থাকবেন। বার্নহ্যামের দাবি, ম্যানচেস্টারের আধুনিক রূপ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ম্যানচেস্টার সিটির মালিকপক্ষ বড় অংশীদার হিসেবে কাজ করেছে এবং শহরে উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ করেছে।
এই মন্তব্য এসেছে ম্যানচেস্টার সিটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগের আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের দীর্ঘদিনের মামলায় স্বাধীন কমিশনের রায় প্রকাশের পর। প্রিমিয়ার লিগের ২৯ সেপ্টেম্বরের বিবৃতি অনুযায়ী, ২০০৯/১০ থেকে ২০১৭/১৮ মৌসুম পর্যন্ত গুরুতর আর্থিক নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগগুলোতে সিটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। কমিশনের মতে, ক্লাবটি কিছু বাণিজ্যিক চুক্তির প্রকৃত তথ্য গোপন করে আয় বাড়িয়ে দেখিয়েছিল, আর্থিক হিসাবের প্রকৃত অবস্থা আড়াল করেছিল এবং ব্যয়ের সীমা সংক্রান্ত নিয়ম ভেঙেছিল। তদন্তে সহযোগিতা না করার অভিযোগের চারটির মধ্যে তিনটিও বহাল রাখা হয়েছে।
তবে ১১৫টি অভিযোগের সবকটিতে সিটি দোষী সাব্যস্ত হয়েছে—এভাবে বলা সঠিক নয়; নির্ভুলভাবে বলা যায়, ক্লাবটি ১১৫টি অভিযোগের অধিকাংশে দোষী সাব্যস্ত হয়েছে। ম্যানচেস্টার সিটি অভিযোগগুলো অস্বীকার করে আসছে এবং রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখনো ক্লাবটির বিরুদ্ধে চূড়ান্ত শাস্তি ঘোষণা করা হয়নি। সম্ভাব্য শাস্তির মধ্যে বড় অঙ্কের জরিমানা, পয়েন্ট কেটে নেওয়া কিংবা প্রিমিয়ার লিগ থেকে বহিষ্কারের মতো পদক্ষেপ থাকতে পারে। বার্নহ্যাম বলেন, মামলাটি এখনো ম্যানচেস্টার সিটির পক্ষ থেকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে এবং পুরো বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা না করে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাওয়া উচিত নয়। তিনি আরও জানান, চলমান প্রক্রিয়ায় তার সরাসরি হস্তক্ষেপ করা ঠিক হবে না।