গাজায় শান্তির পথে: ইস্তাম্বুলে আরব-ইসলামিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক
তুরস্কের ইস্তাম্বুলে আরব ও ইসলামিক দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা গাজায় যুদ্ধবিরতি ও আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী গঠনের বিষয়ে আলোচনা করেছেন। বৈঠকের লক্ষ্য—গাজায় বেসামরিক মানুষের সুরক্ষা ও স্থায়ী শান্তির পথ তৈরি করা।
গাজায় শান্তির পথে: ইস্তাম্বুলে আরব-ইসলামিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠক
গাজায় যুদ্ধবিরতি ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী গঠনের সম্ভাবনা নিয়ে আরব ও ইসলামিক দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই সপ্তাহে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।
তুরস্কের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে সৌদি আরব, মিশর, জর্ডান, ইরান, পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও কাতার-এর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা অংশ নেন।
এটি ওআইসি (OIC) ও আরব লীগের যৌথ কূটনৈতিক উদ্যোগের অংশ।
বৈঠকে আলোচনার মূল বিষয় ছিল গাজায় একটি জাতিসংঘ অনুমোদিত বহুজাতিক শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠানো, যা যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়ন ও মানবিক করিডর রক্ষা করবে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন,
“বিশ্ব আর নীরব থাকতে পারে না যখন গাজা পুড়ছে। জাতিসংঘ ব্যর্থ হলে মুসলিম দেশগুলোকে একসাথে পদক্ষেপ নিতে হবে নিরপরাধ মানুষদের রক্ষায়।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, ইস্তাম্বুল বৈঠকটি মধ্যপ্রাচ্যে আঞ্চলিক কূটনৈতিক ঐক্যের এক গুরুত্বপূর্ণ সূচনা, তবে সামনে এখনো অনেক চ্যালেঞ্জ রয়েছে —
বিশেষ করে ইসরায়েলের আপত্তি, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বিভক্তি, এবং শান্তিরক্ষী বাহিনীর নেতৃত্ব কাঠামো নির্ধারণ।
এদিকে গাজায় যুদ্ধবিরতির অনিশ্চয়তার মধ্যে লক্ষ লক্ষ মানুষ এখনো অবরুদ্ধ অবস্থায়, আর আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো সতর্ক করছে —
“সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে; এখনই পদক্ষেপ না নিলে মানবিক বিপর্যয় আরও গভীর হবে।”