ভিয়েতনাম সফরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ সচিব হেগসেথ, কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩০ বছর পূর্তিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার
মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ভিয়েতনাম সফর সফলভাবে শেষ করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ভিয়েতনামের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে এই সফর অনুষ্ঠিত হয়। সফরে দুই দেশ প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের স্থিতিশীলতা নিয়ে আলোচনা করে।
ভিয়েতনাম সফরে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ সচিব হেগসেথ, কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩০ বছর পূর্তিতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদার
হ্যানয়, ভিয়েতনাম — যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ সচিব পিট হেগসেথ ভিয়েতনামে তাঁর সফল সরকারি সফর শেষ করেছেন, যেখানে দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৩০ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
সফরের সময় হেগসেথ ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ফান ভ্যান ঝিয়াংসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা, সামরিক সহযোগিতা এবং যুদ্ধ-উত্তর ধ্বংসাবশেষ মোকাবিলা নিয়ে আলোচনা করেন। আলোচনায় ডিজক্সিন দূষণ (এজেন্ট অরেঞ্জ) পরিস্কার, অবিস্ফোরিত বোমা-মাইন অপসারণ, এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা উন্নয়নসহ বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
দুই দেশই ইন্দো–প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। সফরের সময় মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির সম্ভাবনাও আলোচনা হয়, যার মধ্যে রয়েছে পরিবহন বিমান ও হেলিকপ্টার, যাতে ভিয়েতনাম তার সামরিক সরবরাহ উৎস বৈচিত্র্যময় করতে পারে।
১৯৯৫ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের তিন দশক পূর্তিতে হেগসেথ বলেন, “আমরা একসময়ের প্রতিপক্ষ থেকে এখন বিশ্বাসযোগ্য কৌশলগত অংশীদারে পরিণত হয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র ভিয়েতনামের সার্বভৌমত্ব, স্বাধীনতা ও দীর্ঘমেয়াদী নিরাপত্তা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
যদিও এই সফরে কোনো বড় অস্ত্র চুক্তি ঘোষণা হয়নি, উভয় পক্ষের কর্মকর্তারা আলোচনাগুলোকে “গঠনমূলক” ও “ভবিষ্যত-মুখী” হিসেবে বর্ণনা করেছেন, যা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করার ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।