মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের ১০ বছরের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর
ওয়াশিংটন/নয়াদিল্লি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব ওয়ার পিট হেগসেথ এবং ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি সাক্ষাৎ করেছেন
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের ১০ বছরের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর
ওয়াশিংটন/নয়াদিল্লি: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব ওয়ার পিট হেগসেথ এবং ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং সম্প্রতি সাক্ষাৎ করেছেন এবং দুই দেশের মধ্যে ১০ বছরের জন্য নতুন প্রতিরক্ষা কাঠামো চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। এই চুক্তি দুই দেশের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে নতুন মাত্রা দেবে এবং Indo-Pacific অঞ্চলে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চুক্তির লক্ষ্য ও গুরুত্ব
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি এবং দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ:
-
সামরিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণে সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে, যেমন রাডার, ড্রোন, সাইবার নিরাপত্তা ও আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম
-
তথ্য ও গোয়েন্দা তথ্য বিনিময় করবে, যাতে আঞ্চলিক হুমকি ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যৌথ নজরদারি সম্ভব হয়
-
সামরিক মহড়া ও কৌশলগত সমন্বয় করবে, যা দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শক্তি ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়ক হবে
চুক্তির প্রভাব
এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে দুই দেশের মধ্যে:
-
যৌথ সামরিক মহড়া এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বৃদ্ধি পাবে
-
আধুনিক প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সমন্বয় আরও উন্নত হবে
-
আঞ্চলিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব শক্তিশালী হবে
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য Indo-Pacific অঞ্চলে নিরাপত্তা কাঠামো স্থাপন করা এবং ভারতের উদ্দেশ্য দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতা ও শক্তি ভারসাম্য বজায় রাখা।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
বিশ্ব রাজনীতি বিশ্লেষকরা এই চুক্তিকে দক্ষিণ এশিয়ার কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে দুই দেশ আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্য ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যৌথ প্রভাব বাড়াতে পারবে।
সরকারি মন্তব্য
পিট হেগসেথ বলেছেন, “আমরা একসাথে কাজ করে আঞ্চলিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে সক্ষম হব। এই চুক্তি দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করবে।”
রাজনাথ সিংও মন্তব্য করেছেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা ভারতকে নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ও কৌশলগত ক্ষেত্রে শক্তিশালী করবে। এটি ভবিষ্যতের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ।”