পেন্টাগনে বৈঠক: যুক্তরাষ্ট্র–নিউজিল্যান্ড প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার
“যুক্তরাষ্ট্র আমাদের অন্যতম কৌশলগত সহযোগী। আমরা বিশ্বাস করি, এই অংশীদারিত্ব শুধু প্রতিরক্ষা নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
পেন্টাগনে বৈঠক: যুক্তরাষ্ট্র–নিউজিল্যান্ড প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার
বিশ্বব্যাপী ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও নিউজিল্যান্ড নিজেদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার ঘোষণা দিয়েছে।
গতকাল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জুডিথ কলিন্সকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাগত জানান।
বৈঠকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক, কৌশলগত সহযোগিতা, সামুদ্রিক নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
প্রতিরক্ষা সচিব বলেন,
“আমরা বাস্তবসম্মত ও কার্যকর সহযোগিতার সুযোগগুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমরা আগ্রহী।”
তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র নিউজিল্যান্ডকে একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে দেখে এবং দুই দেশই মুক্ত ও স্থিতিশীল ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ।
অন্যদিকে, নিউজিল্যান্ডের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জুডিথ কলিন্স বলেন,
“যুক্তরাষ্ট্র আমাদের অন্যতম কৌশলগত সহযোগী। আমরা বিশ্বাস করি, এই অংশীদারিত্ব শুধু প্রতিরক্ষা নয়, বরং বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার দিকেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
বৈঠকে সামরিক প্রশিক্ষণ বিনিময়, প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি উন্নয়ন, এবং সাইবার ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ বাড়ানোর প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
বিশ্লেষকদের মতে, এই বৈঠক যুক্তরাষ্ট্র–নিউজিল্যান্ড সম্পর্ককে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে যাবে, বিশেষ করে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব মোকাবিলায় দুই দেশের যৌথ অবস্থান আরও দৃঢ় হবে।
সূত্র মতে, আগামী মাসে উভয় দেশ একটি যৌথ প্রতিরক্ষা নীতি চুক্তি স্বাক্ষর করতে পারে, যা আগামী কয়েক বছরে সামরিক সহযোগিতা ও যৌথ মহড়ার কাঠামো নির্ধারণ করবে।