৯/১১-এর ২৫ বছর: বিচার বিভাগে আবেগঘন স্মরণ, অমর হয়ে থাকবেন নিহত ও আত্মত্যাগীরা

৯/১১ হামলার ২৫ বছর পূর্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগে স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, নিহত ও উদ্ধারকর্মীদের গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে।

৯/১১-এর ২৫ বছর: বিচার বিভাগে আবেগঘন স্মরণ, অমর হয়ে থাকবেন নিহত ও আত্মত্যাগীরা

৯/১১-এর ২৫ বছর: বিচার বিভাগে আবেগঘন স্মরণ, অমর হয়ে থাকবেন নিহত ও আত্মত্যাগীরা


যুক্তরাষ্ট্রে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার ২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে বিচার বিভাগে বিশেষ স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ৯/১১ হামলায় নিহত মানুষ, ঝুঁকি নিয়ে উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া প্রথম সারির কর্মী এবং পরবর্তী সময়ে দেশের সেবায় জীবন উৎসর্গকারীদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ, এফডিএনওয়াইয়ের অনারারি ফায়ার কমিশনার পিটার আরনেল এবং নিউইয়র্ক সিটির সাবেক মেয়র রুডি জুলিয়ানি। অনুষ্ঠানে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার ভয়াবহতা, প্রাণহানি, আত্মত্যাগ এবং হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের ঘুরে দাঁড়ানোর বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেল টড ব্লাঞ্চ বলেন, ৯/১১-এর পর দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যারা দায়িত্ব পালন করেছেন, তাদের দায়িত্ববোধ ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতা ধরে রাখা বিচার বিভাগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিদিন আমেরিকান জনগণকে সুরক্ষিত রাখার দায়িত্বে অবিচল থাকতে হবে এবং ভবিষ্যতে ৯/১১-এর মতো ভয়াবহ হামলা যাতে আর কখনো না ঘটে, তা নিশ্চিত করার জন্য সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখতে হবে।

২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর আল-কায়েদার সদস্যরা চারটি যাত্রীবাহী বিমান ছিনতাই করে। দুটি বিমান নিউইয়র্কের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারে এবং একটি বিমান ভার্জিনিয়ার পেন্টাগনে আঘাত হানে। চতুর্থ বিমানটি পেনসিলভানিয়ায় বিধ্বস্ত হয়।

হামলায় মোট ২,৯৭৭ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিকের পাশাপাশি পুলিশ কর্মকর্তা, দমকলকর্মী, জরুরি উদ্ধারকর্মী ও অন্যান্য পেশার মানুষ ছিলেন। হামলার পর উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমে অংশ নেওয়া অনেক কর্মীও পরবর্তী বছরগুলোতে বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়েন।

২৫ বছর পরও ৯/১১ যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্মৃতিতে একটি গভীর ও বেদনাদায়ক অধ্যায় হয়ে রয়েছে। প্রতিবছর দেশটির বিভিন্ন স্থানে স্মরণ অনুষ্ঠান, শ্রদ্ধা নিবেদন এবং নিহতদের নাম পাঠের মাধ্যমে সেই দিনের ঘটনাকে স্মরণ করা হয়।

বিচার বিভাগের এই আয়োজনেও মূল বার্তা ছিল—নিহতদের স্মৃতি ধরে রাখা, আত্মত্যাগীদের সম্মান জানানো এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সেই দিনের শিক্ষা মনে করিয়ে দেওয়া।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর