রাফাহ সীমান্ত বন্ধই থাকছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প

হামাস দেহ ফেরত দিতে দেরি করায় ইসরায়েল রাফাহ সীমান্ত বন্ধ রেখেছে, যা ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার গুরুত্ব এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা রক্ষায় তাঁর ভূমিকা প্রমাণ করছে।

PostImage

রাফাহ সীমান্ত বন্ধই থাকছে, যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে কঠোর অবস্থানে ট্রাম্প


কায়রো/জেরুজালেম, ১৯ অক্টোবর — হামাস নিহত জিম্মিদের দেহ ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত গাজা ও মিশরের মধ্যে রাফাহ সীমান্ত বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

এই সিদ্ধান্ত এসেছে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে, তবে চুক্তির মধ্যস্থতাকারী সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেছেন, যুদ্ধবিরতির শর্ত উভয় পক্ষকেই মানতে হবে।

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, হামাস যদি যুদ্ধবিরতি ভঙ্গ করে, তবে এর “গুরুতর পরিণতি” হবে। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র “গাজার মানুষের সুরক্ষা এবং যুদ্ধবিরতির অখণ্ডতা রক্ষায় পদক্ষেপ নেবে।”

হামাস হামলার অভিযোগ অস্বীকার করলেও ইসরায়েল বলছে, সংগঠনটি জিম্মিদের দেহ ফেরত দিতে বিলম্ব করছে, যা ট্রাম্পের নেতৃত্বে করা শান্তি পরিকল্পনার শর্ত ভঙ্গের সমান। নেতানিয়াহু বলেন, হামাস প্রতিশ্রুতি পূরণ না করা পর্যন্ত রাফাহ সীমান্ত খোলা হবে না।

ট্রাম্পের ২০ দফা শান্তি পরিকল্পনা অনুযায়ী, হামাস দুই বছর ধরে আটক ২০ জন জীবিত ইসরায়েলি জিম্মিকে মুক্তি দেয়, বিনিময়ে প্রায় ২,০০০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্ত করা হয়। দীর্ঘ সংঘাতের পর এটিকে একটি বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে — হামাসের নিরস্ত্রীকরণ, গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসন এবং আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনী গঠনের প্রশ্নে এখনো সমাধান আসেনি। ট্রাম্প প্রশাসন বলেছে, “শক্তি ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে স্থায়ী শান্তি” প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

রাফাহ সীমান্ত বন্ধের ঘটনাটি ট্রাম্পের যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনার ভঙ্গুরতা তুলে ধরলেও, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির পথে তাঁর দৃঢ় ভূমিকা আবারও স্পষ্ট করেছে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর