নিউইয়র্কে এক মাসে ২ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক, অভিযান ঘিরে তীব্র বিতর্ক

নিউইয়র্কে ‘অপারেশন রটেন অ্যাপল’-এ ২ হাজারের বেশি মানুষ আটক হওয়ায় অভিবাসন অভিযান ও স্থানীয়-ফেডারেল দ্বন্দ্ব নতুন করে তীব্র হয়েছে।

নিউইয়র্কে এক মাসে ২ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক, অভিযান ঘিরে তীব্র বিতর্ক

নিউইয়র্কে এক মাসে ২ হাজারের বেশি অভিবাসী আটক, অভিযান ঘিরে তীব্র বিতর্ক


যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে এক মাসব্যাপী বড় ধরনের অভিবাসন অভিযানে ২ হাজার ১৯৭ জনকে আটক করার ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ‘অপারেশন রটেন অ্যাপল’ নামে পরিচালিত এই অভিযান ২৭ জুলাই থেকে ২৯ আগস্ট পর্যন্ত নিউইয়র্ক সিটি, লং আইল্যান্ড, হাডসন ভ্যালি ও অঙ্গরাজ্যের অন্যান্য এলাকায় চালানো হয়। 

মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের কর্মকর্তারা ১ সেপ্টেম্বর অভিযানের ফলাফল প্রকাশ করেন। হোমল্যান্ড সিকিউরিটি সেক্রেটারি মার্কওয়েইন মুলিন নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে অভিযানের ব্যাপকতার কথা তুলে ধরেন।

অভিবাসন অভিযানটি এমন সময়ে পরিচালিত হয়েছে, যখন নিউইয়র্কের স্থানীয় প্রশাসন ও ফেডারেল অভিবাসন কর্তৃপক্ষের মধ্যে সহযোগিতা নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক বিরোধ চলছে। নিউইয়র্কের নতুন আইন স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে অভিবাসন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের সহযোগিতা সীমিত করেছে। এর পরই ফেডারেল কর্তৃপক্ষ আরও বড় পরিসরে নিজেদের অভিযান পরিচালনা শুরু করে। 

অভিযান নিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রশ্ন উঠেছে আটক ব্যক্তিদের অপরাধমূলক রেকর্ডের বিষয়টি নিয়ে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আটক ২ হাজার ১৯৭ জনের সবাই যে অপরাধে অভিযুক্ত বা দণ্ডিত ছিলেন, এমন তথ্য দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অভিযানের প্রয়োজনীয়তার পক্ষে আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার যুক্তি তুলে ধরেছেন। 

রয়টার্সের প্রকাশিত সাম্প্রতিক ছবিতেও নিউইয়র্কের কুইন্স এলাকায় অভিবাসন অভিযানে আইসিই কর্মকর্তাদের একজনকে আটক করতে দেখা গেছে। 

এই অভিযান নিউইয়র্কের অভিবাসী কমিউনিটির মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে বৈধ কাগজপত্র না থাকা ব্যক্তিরা গ্রেপ্তার, আটক ও সম্ভাব্য বহিষ্কারের ঝুঁকি নিয়ে উদ্বিগ্ন। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো ফেডারেল সরকারের অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলছে।

সিএসবি নিউজ-এর আরও খবর